অস্ত্রসহ ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশ নিয়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর বাগবিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী এস.এম. খালিদুজ্জামান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশের সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। এ ঘটনার ৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান নিজের ফেসবুকেও একটি পোস্ট করে।
এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, অস্ত্র বা গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্যরা খালিদুজ্জামানকে বাধা দেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একজন ব্যক্তি সেনাসদস্যদের জানান, তিনি ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতের প্রার্থী। নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র বা গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশ না করার জন্য সেনাসদস্যরা তাকে অনুরোধ করেন।
তবে ওই অনুরোধে সাড়া না দিয়ে উত্তেজিত হয়ে খালিদুজ্জামান সেনাসদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘তারেক জিয়ার ক্ষেত্রে তো আপনারা রাস্তা পরিষ্কার করছেন, আমরা কেন পারবো না?’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘আপনারা দেশটাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যক্তিস্বার্থে সরকার ও প্রশাসনকে বিতর্কিত করছেন।’
একপর্যায়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বলতে চান এবং মোবাইল ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, খালিদুজ্জামান তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের বলেন, ‘ভিডিও করো যে আমাদের গাড়ি যেতে দিচ্ছে না।’ সেনাসদস্যরা তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেন, ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে তিনি নিরাপদ। তবে খালিদুজ্জামান অভিযোগ করেন, তার গাড়ি ও দলের সদস্যদের ওপর অন্য দলের লোকজন হামলা চালাতে পারে।
মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
এরপর বিষয়টি নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন জামায়াত প্রার্থী এস.এম. খালিদুজ্জামান। সেখানে তিনি ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, কয়েক দিন আগে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার এবং সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম নেয়। বিষয়টি ইতিমধ্যে সমাধান হওয়া সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই ইস্যুকে ঘিরে পরিস্থিতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল বোঝাবুঝি যেন আর না হয়, সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকবেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































