ইরান যুদ্ধের ফলাফল এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব

ড. মো. মাহমুদুল হাসান
  প্রকাশিত : ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭| আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯
অ- অ+

ইরান যুদ্ধ মূলত ২০২২ সালের শেষের দিকে শুরু হয়, যা একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সামরিক সংকট হিসেবে ধরা হয়। এই যুদ্ধের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ এবং ঘটনা রয়েছে যা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে।

ইরান পশ্চিমা দেশগুলোর এর মধ্যে বিরূপ সম্পর্ক বিদ্যমান। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মানবাধিকার পরমাণু চুক্তি (JCPOA) নিয়ে বিরোধ পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘকালীন অসন্তোষের এক অন্যতম কারণ। ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চেষ্টাকে পশ্চিমা দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে।

সাহিত্য সংস্কৃতি তে ইরান সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ইরানে মুক্ত বক্তব্য নিয়ে সরকারের কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক সংস্কারের অভাব দেশটির নাগরিক সমাজে অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে, ২২ বছর বয়সী মহসা আমিনী জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় এবং তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ শুরু হয়। এই প্রতিবাদ আন্দোলন নারীদের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকারের জন্য ব্যাপক সমর্থন পায়। সরকারি দমন আরেকটি বিষয়। প্রতিবাদ আন্দোলন দমন করতে সরকার সহিংসতা ও সেনাবাহিনীর ব্যবহার বাড়ায়, যা পরিস্থিতিকে আরো অস্থিতিশীল করে।

ইরানে পরিস্থিতির অবনতি হলে আন্তর্জাতিক মহলে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কিছু আরব রাষ্ট্র ইরানের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে।

বিভিন্ন সংঘর্ষের কারণে পর্যায়ক্রমে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সংর্ঘষ বেড়ে যায়। ২০২৩ সালের দিকে, কিছু প্রতিবাদী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তীব্র হয়ে ওঠে, যা পরিস্থিতিকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়। ইরান যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের উপরও প্রভাব পড়ে, যেমন ইরাক, সিরিয়া এবং আফগানিস্তান। এই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।

ইরান যুদ্ধের সূচনা একটি জটিল প্রক্রিয়া, যা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং আন্তর্জাতিক ঘটনাবলীর সমন্বয়ে গঠিত। এই যুদ্ধ কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকটকেই নয়, বরং আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক ভূপরিচালনাকেও প্রভাবিত করছে। পরিস্থিতির উত্তরণে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আলোচনার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ইরানে চলমান যুদ্ধ, যা কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে নতুন রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এখানে কিছু মূল দিক তুলে ধরা হলো:

তেল জ্বালানির ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারের দামে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে। ইরান বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে একটি। ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের উৎপাদন হার কমে গেলে, এটি বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করতে পারে। বাংলাদেশের এর প্রভাব অনেক। বাংলাদেশ তেলের জন্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল। তেলের দাম বৃদ্ধি হলে, দেশের আমদানির ব্যয় বাড়বে, যা হীন বা গড় আয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

শিল্প উৎপাদন এর উপর নেতিবাচক প্রভাব অনেক হবে। উৎপাদন খাতে ব্যাঘাত ঘটবে। তেল ও জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বাংলাদেশে উৎপাদন খাতে কাঁচামালের কয়েকটি ব্যবস্থাপনা কঠিন হতে পারে। বিসিক (BSCIC) এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিছু খাতে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে, যার ফলে সেখানকার কর্মসংস্থান হুমকির সম্মুখীন হবে।

রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গার্মেন্টস শিল্পের ওপর প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্প, বিভিন্ন দেশের বাজারে নির্ভরশীল। যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে, বাংলাদেশের রপ্তানি কমে যেতে পারে। ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি ৪৭ বিলিয়ন ডলার হলেও, যুদ্ধের অবস্থা এর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

ভোগ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হবে। বাজারে অস্থিরতা দেখা দিবে। খাদ্যদ্রব্য এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি হতে পারে। বাংলাদেশে এখনও ২০% দরিদ্র জনগণের বাস, এবং দাম বৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রার মানকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

বিদেশী বিনিয়োগ কমে যাবে। বিনিয়োগের আকর্ষণ হ্রাস পাবে। ইরান যুদ্ধের ফলে বিশ্বে অস্থিরতার কারণে বিদেশী বিনিয়োগ কমতে পারে। ২০২২-২৩ সালে বাংলাদেশের FDI (Foreign Direct Investment) যোগান ২ বিলিয়ন ডলারের নাগাল পেতে পারে, কিন্তু যুদ্ধের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।

অর্থনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে। মুদ্রার বিনিময়ে অস্থিরতা দেখা দিবে। যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থিতিশীল হলে, টাকার বিপরীতে পতন হতে পারে, যা বাংলাদেশকে আরো বেশি উদ্বেগের মধ্যে ফেলবে।

ইরান যুদ্ধের ফলাফল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে তেলের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতে ব্যাঘাত, রপ্তানি হ্রাস, এবং খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি। সঠিক নীতিনির্ধারণ ও গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই সংকটের মাঝে বাংলাদেশকে শক্তিশালী অবস্থানে রাখতে হবে।

ইরান যুদ্ধের ফলে বিদেশে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রম বাজারে প্রভাব

ইরান যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশের শ্রম বাজার এবং শ্রমিকদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও উপাত্তসহ আলোচনা করা হলো:

কর্মসংস্থান হ্রাস পাবে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পরিস্থিতি কর্মের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শ্রমিকদের কাজের সুযোগ কমে যেতে পারে। ২০২০ সালে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ২৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। যুদ্ধের ফলে অনেকেই দেশে ফিরে আসতে পারেন, এটি শ্রম বাজারের জন্য হুমকিস্বরূপ।

পরিবর্তিত শ্রমিক চাহিদা বা অস্থিরতা দেখা দিবে। নতুন শ্রম আইন দেখা দিতে পারে। যুদ্ধের ফলে বিভিন্ন দেশে শ্রমিকের চাহিদা এবং শ্রম আইন পরিবর্তিত হতে পারে, যা বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

বেতন জীবনযাত্রার মান এর উপর প্রভাব পড়বে। নিম্ন বেতন ও জীবিকার অস্থিরতা প্রকট হবে। যুদ্ধের সময়ে অনেক কোম্পানি খরচ কেটে দেওয়ার জন্য শ্রমিকদের বেতন কমাতে পারে। এতে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান কমে যাবে। যুদ্ধে প্রভাবিত অঞ্চলে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমানের বেতন প্রদান করা হতে পারে।

রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। বিদেশি রাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তন হতে পারে। যুদ্ধের কারণে বিদেশি রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বিভিন্ন অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে, যা বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করবে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রায় .২৫ লাখ শ্রমিকের আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছিল, যুদ্ধের কারণে এই সংখ্যা হ্রাস পেতে পারে।

বাংলাদেশের অভিবাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। অভিবাসন সুবিধার অভাব হবে। যুদ্ধের ফলে অভিবাসন সুবিধাগুলো সংকুচিত হতে পারে, যা বাংলাদেশের শ্রমিকদের বিদেশে কাজ পাওয়ার সুযোগ কমিয়ে দেবে।

শ্রমিকদের ওপর সামাজিক প্রভাব পড়বে। মানসিক চাপ তৈরি হবে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতার জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি তাদের কাজের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতাকেও প্রভাবিত করবে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বৈদেশিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশের শ্রমিকরা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কর্মসংস্থান হ্রাস, বেতন কমানোর প্রক্রিয়া, রাষ্ট্রীয় নীতির পরিবর্তন এবং সামাজিক চাপ এই খাতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরছে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে যাতে শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা যায়।

বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকদের জন্য করণীয়: ইরান সংকট মোকাবেলা

ইরান সংকটে বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকদের জন্য কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এই সংকটের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে নিম্নলিখিত দিকগুলোর প্রতি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন:

কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া লাগবে। আঞ্চলিক কূটনীতি বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের সরকারের উচিত ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রচেষ্টা চালানো।

বিশ্ব সংস্থার সাথে সহযোগিতা জোরদার করা। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে সংকটের প্রতিবেদন তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থন অর্জন করা।

শ্রম বাজারের নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বিদেশে কাজরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও গাইডলাইন তৈরি করা, যাতে তারা সঠিকভাবে সহায়তা পায়। বিদেশি মিশন গুলোর নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে। বিদেশে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করা এবং দ্রুত সহায়তা প্রদান করা।

অর্থনৈতিক কৌশল অবলম্বন করা। বাণিজ্য বিকাশ ঘটাতে হবে। বৈদেশিক বাজারে নতুন বাণিজ্য সুযোগ সৃষ্টি করে সংকট থেকে উত্তরণ, যা বাংলাদেশ থেকে পণ্যের রপ্তানি বাড়াবে। অর্থনৈতিক সহায়তা বাড়ানো। সংকটকালে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করা।

জনসচেতনতা প্রস্তুতি গ্রহণ। সচেতনতা বৃদ্ধি করা। জনসাধারণ এবং বিশেষ করে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, যেন তারা বিদেশে কাজ করার আগে সঠিক তথ্য ও প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

সঙ্কট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন। নীতি নির্ধারণে একটি সুসংগঠিত সঙ্কট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করা যাতে সাংঘাতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়।

অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য আনয়ন। অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা। রপ্তানি খাতে ও অন্যান্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের বৈচিত্র্য বাড়ানো যাতে সংকটের প্রভাব কমে যায়। নতুন খাতের উন্নয়ন। প্রাকৃতিক সম্পদ, তথ্য প্রযুক্তি, এবং পর্যটনসহ অন্যান্য খাতের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

ইরান সংকট বাংলাদেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং এর ফলে বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়তে পারে। নীতি নির্ধারকদের জন্য এই সংকট মোকাবেলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা, শ্রমিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক কৌশল তৈরি করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করেই বাংলাদেশ এই পরিস্থিতিকে সামলাতে সক্ষম হবে।

লেখক: অধ্যাপক চেয়ারম্যান, অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)

(ঢাকাটাইমস/৫ মার্চ/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের টাকা ছিনতাইয়ের নেপথ্যে পেশাদার অপরাধী চক্র, মাস্টারমাইন্ডের খোঁজে ডিবি
কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাতবোমা বিস্ফোরণে আহত ৪ শিক্ষার্থী
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে যারা পেলেন দায়িত্ব
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা