এসএসএফ সদস্যের ধাক্কা প্রসঙ্গে ছাত্রদল নেতা আমান
উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে এটা ‘হিট অব দ্যা মোমেন্ট’ হয়ে গেছে

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় পথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সিনেট ভবন থেকে মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানো পর্যন্ত এই ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
এদিন অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান ভিড় ঠেলে প্রধানমন্ত্রী কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) এক সদস্য ধাক্কা দিয়ে বাধা দেন। পরবর্তীতে ঘটনাটির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করে ফেসবুকে আমানুল্লাহ আমান বলেছেন, এটা মূলত উপচেপড়া ভীড়ের মধ্যে হিট অব দ্যা মোমেন্ট হয়ে গেছে।
ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য আমানের ফেসবুক স্টাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
প্রিয় সহযোদ্ধাবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম
যার নির্দেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এই প্রজন্মের ছাত্রদল আপসহীনভাবে রাজপথে ছিলো এবং যার মায়ায় পড়ে এই প্রজন্মের জাতীয়তাবাদীরা জীবনের অনেককিছু বিসর্জন দিয়েছে কিন্তু তাঁর প্রশ্নে কখনোই আপস করে নাই এবং করবেও না। আমাদের সেই ভালোবাসার অবিকল্প শব্দ তারেক রহমান আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসেছেন এটা আমাদের জন্য পরমানন্দের।
আমাদের জন্য যেমন তিনি আবেগের সর্বোচ্চ জায়গা ঠিক তেমনি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দেশের জন্য, দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরী। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের এই ধরনের পাবলিক প্রোগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হয়।
প্রচন্ড ভীড়ের মধ্যে এরকম অনেক ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘটে, হয়তোবা কোনো একজনের প্রোফেশনালিজেমের ঘাটতি থাকতে পারে কিন্তু আমি নিশ্চিত, যে এসএসএফ সদস্য এটা করেছেন তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে এটা করেননি এটা উপচেপড়া ভীড়ের মধ্যে হিট অব দ্যা মোমেন্ট হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখলাম এটা নিয়ে আল বটর এবং পতিত ফ্যাসিস্টের দোসররা মজা নিচ্ছে। তোমাদের তো পরচর্চা ছাড়া করার মতো কাজ নাই, আর বলার মতো নিজস্ব কিছু নাই এবং তাই সর্বদা পরনিন্দায় ব্যস্ত।
যে তারেক রহমান দেশের জন্য তাঁর বাবা'কে হারিয়েছেন, তার একমাত্র ভাইকে হারিয়েছেন, তাঁর মায়ের ওপর দিয়ে এবং নিজের ওপর দিয়ে দিয়ে বয়ে যাওয়া অবর্ণণীয় নির্যাতন সহ্য করে দেশের জন্য সবকিছু উজাড় করে কাজ করছেন সেই তারেক রহমানের জন্য আমি সবকিছু উজাড় করে দিতে পারি, পারি অপমান সইতে,পারি দ্বিধাহীনভাবে জীবনের ঝুঁকি নিতে।
সুতরাং আল বটর আর ফ্যাসিস্টদের বলছি তোমরা যতই বস্তাপঁচা ন্যারেটিভ দাও আমি আমান তারেক রহমানের পাশে থাকবোই থাকবো, ভ্যানগার্ড হয়ে থাকবো, আমৃত্যু থাকবো ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































