প্রিজন ভ্যানের ঘটনার পর পলকের এমআরআই রিপোর্টে যা জানা গেল

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের হাড় ভেঙে যাওয়া বা কোমরের হাড় সরে যাওয়ার মতো কিছু তার এমআরআই রিপোর্টে পাওয়া যায়নি।
গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে করা এমআরআই রিপোর্টে দেখা গেছে, তার মেরুদণ্ডের হাড়গুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। রিপোর্টে কোথাও হাড় ভাঙা বা হাড় সরে যাওয়ার উল্লেখ নেই।
তবে রিপোর্টে কোমর ও ঘাড়ের কিছু ডিস্কজনিত সমস্যা ধরা পড়েছে। চিকিৎসকদের ভাষায়, ডিস্ক হলো মেরুদণ্ডের হাড়ের মাঝখানের নরম অংশ, যা বয়স, চাপ বা দীর্ঘদিনের শারীরিক সমস্যার কারণে ফুলে উঠতে পারে। পলকের কোমরের L2-L3 ও L3-L4 অংশে এবং ঘাড়ের C5-C6 ও C6-C7 অংশে ডিস্ক বাল্জ পাওয়া গেছে।
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এসব ডিস্ক কিছুটা চাপ তৈরি করলেও স্নায়ুর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। স্পাইনাল কর্ডেও কোনো জটিলতা পাওয়া যায়নি। এছাড়া তার হৃদযন্ত্রের পরীক্ষাতেও বড় ধরনের কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি বলে জানা গেছে।
চিকিৎসকদের মতে, পলকের সমস্যাগুলো মূলত ডিস্ক ও মাংসপেশিজনিত। সাধারণত বিশ্রাম, ওষুধ ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যার চিকিৎসা করা হয়।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যানে আঘাত পাওয়ার কথা জানান পলক। পরে তার আইনজীবী সংবাদমাধ্যমে হাড় সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ একটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মামলার অন্যতম আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে পলাতক থাকলেও পলক গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































