দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া বীর বিক্রম আবেদ আলীর ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী, স্মরণ করল সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২
অ- অ+

শহীদ ল্যান্স নায়েক মো. আবেদ আলী, বীর বিক্রমের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৮৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২ ইস্ট বেঙ্গল (দি স্ট্রাইকিং টুয়েলভ)-এর সঙ্গে জুরাছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই বীর সেনাকে স্মরণ করেছে।

জানা গেছে, ১৯৮৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জুরাছড়ি জোনের অন্তর্গত মদইন্যাপাড়া ক্যাম্প থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে একটি টহল দল বের হয়। মেজর শহীদ আহমেদের নেতৃত্বাধীন ওই টহল দলে অত্যন্ত সাহসী সেনাসদস্য হিসেবে পরিচিত ল্যান্স নায়েক আবেদ আলী এক নম্বর স্কাউটের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দুর্গম পাহাড়ের ঘন অরণ্যে টহল চলাকালে আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে টহল দলটি শান্তি বাহিনীর অ্যাম্বুশের মুখে পড়ে। এ সময় শান্তি বাহিনীর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে ল্যান্স নায়েক আবেদ আলী গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেও তিনি বীরদর্পে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে তার এসএমজি থেকে গুলি চালাতে থাকেন।

এ সময় শান্তি বাহিনীর গ্রেনেডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মর্মান্তিকভাবে আহত হওয়ার পরও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি শান্তি বাহিনীকে প্রাণপণে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তার অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতি তাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করেন।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি
উত্তরায় নামাজে গিয়ে গাড়ি হারিয়েছিলেন চালক, ৫ মাস পর মিলল সীতাকুণ্ডের গ্যারেজে
মহাখালীর চারতলা ভবন ও ধানমন্ডির অ্যাপেক্স শো-রুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির প্রথম সভা
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা