কী করে তারা জাতীয় দলে

এত পারফর্মার থাকতে আবারও কেনো শুভাগত হোমকে দলে টানা হল? কত বড় ক্রিকেটার তিনি। তার আগে ওয়ানডের দুই ম্যাচে তানভীর হায়দারকে নিয়ে কী মূল্যই না দিল বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে তানভীর করেছিলেন ৫ রান আর বল করতে গিয়ে খেলেন বেধড়ক পিটুনি। দুই ম্যাচে মোট ১০ ওভার বল করেছেন তানভীর। দিয়েছেন ৬৭ রান। দেখা পাননি এক উইকেটেরও।
অবশ্য প্রথম টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা হয়নি তানভীরের। ডাক পেয়েছেন শুভাগত হোম এবং তাইজুল ইসলাম। এবার তাদের নিয়ে ক্রিকেট-পাড়ায় চলছে সমালোচনার ঝড়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ খুইয়ে টি-টোয়েন্টি দিয়ে জয়ে ফেরার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। কিন্তু শুভাগত হোম কিংবা তাইজুল ইসলামকে স্কোয়াডে রেখে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কতটা লড়াই করতে পারবে বাংলাদেশ। চলুন চোখ বুলাই এই দু’জনের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে।
টি-টোয়েন্টিতে ৫ ম্যাচে ৩৫ রান করেছেন শুভাগত। আর বল হাতে নিয়েছেন ২টি উইকেট। তাও ইকোনোমিক রেট ৭-এর কাছাকাছি। অপরদিকে তাইজুল ইসলামের এখনও টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই হয়নি। তাছাড়া নিউজিল্যান্ডের বেশিরভাগ উইকেটই পেস-সহায়ক। সেখানে স্পিনাররা দলকে কতটুকু স্বস্তি দিতে পারবে।
এর আগে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো করেই জাতীয় দলে ঢুকে পড়েন মোহাম্মদ মিঠুন। এরপর মাঠে তার পারফর্ম দেখে হতাশ হয়েছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। মিঠুনের দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল। তবে কি এক-দুইটা প্রস্তুতি বা ঘরোয়া ক্রিকেটে দু’একটা ম্যাচ ভালো করলেই জাতীয় দলে জায়গা পাকা।
এতটা ‘সস্তা’ হতে পারে না লাল-সবুজের জার্সি। এতে করে যারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে জায়গা পেতে লড়াই করে যাচ্ছেন তাদের ওপর মরীচিকার প্রলেপ পড়তে পারে। আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে পারে। এখানেই শেষ নয়, যারা জাতীয় দলে খেলছেন তাদেরও ইঙ্গিত দেয়া হয়, দুই-একটা ম্যাচ থেকে উঠে আসা ‘ভালো’ কাউকে পেলে তোমাকেও আমরা ছেঁটে ফেলবো।
যেহেতু টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এখনও মাঠে গড়ায়নি। ফলে অনেক হিসেব-নিকেশই বাকি। তবে শুভাগত হোমের হঠাৎ ঝড়ো ব্যাটিং কিংবা তাইজুলের একটা ‘ভেল্কি’র আশায় বছর জুড়ে ফর্মে থাকা আল আমিন ও নাসির হোসেন কিংবা বিপিএলে ইতিবাচক খেলা মেহেদী মারুফকে মাঠের বাইরে রাখা কতটুকু যুক্তিযুক্ত।
লেখক: ক্রীড়া সাংবাদিক
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































