রুপা হত্যার দুই বছর: দ্রুত বিচারের দাবি স্বজনদের

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৪৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চাঞ্চল্যকর জাকিয়া সুলতানা রুপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে তার পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন পালন করেছেন। রুপার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার দুপুরে তাড়াশ প্রেসক্লাব চত্বরে ওই মানববন্ধন হয়।

রুপার মা হাসনা হেনা মেয়ে হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে বলেন, গত দুই বছরে তিনি তার মেয়ে হত্যার বিচার না পেয়ে হতাশ।

তিনি বলেন, এক দিকে আমার পরিবারের সম্ভাবনাময় মেধাবী তরুণীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি তাদের একমাত্র কর্মক্ষম মেয়েকে হত্যা করায় আজও এ পরিবারকে অশেষ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

এসময় আরো বক্তব্য দেন- রুপার ভাই হাফিজুর রহমান, ছোট ভাই উজ্জ্বল প্রামানিক ও রুপার ভাবি টুম্পা খাতুন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শেষে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসান বাড়ি গ্রামের মেয়ে মেধাবী তরুণী রুপাকে চলন্ত বাসে গণধর্ষণ করে  হত্যা করেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে চলন্ত বাসেই তাকে হত্যা করে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে রুপার মরদেহ ফেলে রেখে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে মধুপুর থানা পুলিশ ওই রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় নারী হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে রুপার মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় গণধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে। পরের দিন পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে তার ভাই হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে ছবিরভিত্তিতে ছোট বোন  রুপার লাশ শনাক্ত করেন।

২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কের ছোঁয়া পরিবহনের হেলপার শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর এবং চালক হাবিবুর ও সুপারভাইজার সফর আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এরপর নিম্ন আদালতে ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি  চার আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনের সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হওয়ার পর তারা জেলে রয়েছেন। তাছাড়া ২০১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সকল আসামি খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। এরপর গত ১৯ মাসেও চাঞ্চল্যকর রুপা গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার আপিল শুনানি শুরুই হয়নি।

(ঢাকাটাইমস/২৫আগস্ট/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :