নয় দিন পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় স্বস্তির পারাপার

এম. মনিরুজ্জামান, রাজবাড়ী থেকে
 | প্রকাশিত : ১২ অক্টোবর ২০১৯, ২০:৪৪

পদ্মা ও যমুনা নদীতে পানি ও স্রোত কমে যাওয়ায় টানা নয় দিনের ভোগান্তি শেষে স্বস্তির যান পারাপার শুরু হয়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত নৌরুটের উভয় ফেরিঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় কোনো যানবাহন দেখা যায়নি। সব যান পার হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, দ্বিতীয় দফায় পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলে ভাঙনের কবলে পড়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার ঘাট পন্টুনগুলো।

এছাড়া নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরি চলাচলও ব্যাহত হয়। সব মিলিয়ে ভোগান্তির মধ্য দিয়ে টানা ৯ দিন ধরে যানবাহন পারাপার ব্যহত হয় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে। তবে

শনিবার সকাল থেকে অনেকটা স্বস্তির সঙ্গে যানবাহন পারাপার শুরু হলেও দুপুরের দিকে যানবাহনের অপেক্ষায় অলস বসে থাকতে শুরু করে ফেরিগুলো।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, এ নৌরুটে ছোট বড় মিলে মোট ১৬টি ফেরি থাকলেও যানবাহনের চাপ না থাকায় নদীতে চলাচল করছে ১২ থেকে ১৩টি।

যানবাহনের চাপ থাকলে বাকি ফেরিগুলোও যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল শুরু করবে। সবশেষ দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ কোনো যানবাহনের সারি নেই। ঘাট এলাকায় আসা মাত্রই নৌরুট পারাপারের সুযোগ পাচ্ছে ছোট বড় যেকোনো যানবাহন। 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দিয়ে গড়ে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার যানবাহন পারাপার হয়। তবে সরকারি ছুটিসহ অন্যান্য উৎসবে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ।

যে কোনো রকমের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বাড়তি যানবাহনের চাপ থাকলে ফেরিঘাট এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তি পোহাতে হয় নৌরুট পারাপারে আগত যাত্রী ও যানবাহন শ্রমিকদের। এবার পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ও দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাট পন্টুন ভাঙনের কারণে দীর্ঘ ভোগান্তি শুরু হয় উভয় ফেরিঘাট এলাকায়।

তবে প্রকৃতির নদীতে স্রোত কমে যাওয়ায় টানে টানা ৯ দিন ভোগান্তি শেষে শনিবার সকাল থেকে স্বস্তির যানবাহন পারাপার শুরু হয় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট নৌপথে।  

ঢাকাটাইমস/১২অক্টোবর/ইএস
 

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :