আড়াই কিলোমিটারে পদ্মা সেতু

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:২৬

পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ১৬-১৭ নম্বর পিলারে বসেছে সেতুর ১৬তম স্প্যান ৩-ডি। মঙ্গলবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে এই স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো মূল সেতুর দুই হাজার ৪০০ মিটার অথাৎ প্রায় আড়াই কিলোমিটার অংশ।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী (মূল সেতু) হুমায়ুন কবির ঢাকা টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রকৌশলী জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্প্যানটি পিয়ারে বসানোর জন্য মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগের কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই তে করে রওনা হয়। ‘কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৬-১৭ নম্বর পিলারের দূরত্ব কম হওয়ায় স্প্যান নিয়ে যেতে বেশি সময় লাগেনি। আবহাওয়া অনুকূলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যই স্প্যানটি বসানো সম্ভব হয়েছে।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর ২৩-২৪ নম্বর পিলারের ওপর ১৫তম স্প্যান বসানো হলে সেতুর দুই হাজার ২৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়। এখন দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পদ্মা সেতুও দীর্ঘায়িত দৃশ্যমান হবে বলে জানান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর।

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ১৬টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে সবকটি পিলার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।

২০০৭ সালে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয়। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। বর্তমান ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। দুই প্রান্তে টোল প্লাজা, সংযোগ সড়ক, অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

(ঢাকাটাইমস/১৯নভেম্বর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :