সম্মেলনে কামরান-শফিক-আসাদের কান্না!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:১২ | প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:১১

সারাদেশে ধাপে ধাপে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতাদের হাতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের দায়িত্ব তুলে দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। যদিও অনেক জায়গায় আগের নেতারাই দায়িত্ব পাচ্ছেন। তবে বেশিরভাগ জেলা বা মহানগরে নতুন নেতারা দায়িত্ব পাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন চার নেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সে হিসেবে পদ থেকে বাদ পড়েছেন সিলেটের প্রভাবশালী বেশ কয়েকজন নেতা। কমিটি পূর্ণাঙ্গ হলে হয়ত এদের কারো কারো কমিটিতে জায়গা হতে পারে। তাই সম্মেলনে আবেগমাখা বক্তব্য দিয়ে আপ্লুত হয়ে পড়েন এসব নেতারা। বিশেষ করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়রবদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

প্রত্যেকেই দলের জন্য নিজেদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে দলের সঙ্গে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দায়িত্ব পালনকালে ভুলত্রুটির জন্য নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন নেতারা। দুপুরে আলিয়া মাদরাসা মাঠে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী কেঁদে কেঁদে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অতীতে নিজের সংসদীয় আসন ছেড়ে দিয়েছি। ভবিষ্যতেও নেত্রীর নির্দেশে কাজ করব।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আপনাদের সবার দোয়ায় আমি এখনো বেঁচে আছি। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে হয়তো এটাই আমার শেষ বক্তব্য।

ভুলত্রুটির ক্ষমা চেয়ে কামরান কারাগারের স্মৃতিচারণ করে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে অশুভ শক্তি সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। মহানগর সভাপতি হিসেবে কাজ করতে গিয়ে আমি আমার সহকর্মী ইব্রাহিমকে হারিয়েছি। ১৮ মাস জেল খেটেছি। কুমিল্লা কারাগারে থাকা অবস্থায় আমি আমার মাকে হারিয়েছি। দায়িত্ব পালনের সব সফলতা আপনাদের, সব ব্যর্থতা আমি কাঁধে তুলে নিলাম।

আর কান্নাজড়িত কণ্ঠে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, শূন্য হাতে সংগঠনের দায়িত্ব নিয়ে আজ সবচেয়ে সংগঠিত মহানগর আওয়ামী লীগ। ভবিষ্যতে আর দায়িত্ব পাব কি-না জানি না। তবে আমৃত্যু দলের জন্য কাজ করে যাব।

(ঢাকাটাইমস/০৫ডিসেম্বর/বিইউ/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :