সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন হা-মীম গ্রুপের কর্ণধার এ কে আজাদ

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৫ মে ২০২০, ১৭:৫৩ | প্রকাশিত : ২৫ মে ২০২০, ১৬:৩৫

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি, হা-মীম গ্রুপের কর্ণধার, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও সমকাল পত্রিকার মালিক এ কে আজাদ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন।

সকলের উদ্বেগ উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে দেশের খ্যাতনামা এই ব্যবসায়ী এখন কোভিড-১৯ থেকে মুক্ত।

হা-মীম গ্রুপের কর্ণধার ঢাকাটাইমসকে বলেছেন, তিনি এখন আগের মতোই সুস্থ আছেন। সকলের দোয়ায় সেরে উঠেছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় বিশ্রামে আছেন।

করোনায় অসুস্থ হওয়ার পর তার সুস্থতার জন্য যারা উৎকণ্ঠিত থেকে দিন পার পার ও দোয়া করেছেন তাদের প্রতি অফুরান কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এ কে আজাদ।

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক এই সভাপতি কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার পর দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি নেন। এই থেরাপি কার্যকরভাবেই সফল হয় এবং তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠেন।

১৯৭৬ সালে এসএসসি পাস করেন এ কে আজাদ। কলেজে ভর্তির পর বামধারার রাজনীতিতে জড়িয়ে লেখাপড়া এক পর্যায়ে ছেড়েই দেন। অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষা দেন ১৯৮০ সালে। পাশ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ১৯৮৪ সালে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হয়ে ২৩ দিন জেল খাটতে হয়েছিল তাকে।

বর্তমানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের রয়েছে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে এক বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় ওষুধ তৈরির ব্যবসায় নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু সফল হতে পারলেন না।

১৯৮৫ সালে শুরু করেন গার্মেন্ট ব্যবসা। তবে নবীন ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া কোটা সুবিধা না পেয়ে সেসময় লোকসান হলো সাত লাখ টাকা। পুরোটাই ব্যাংক ঋণের। গার্মেন্টে তালা পড়ল। ভবন মালিককে ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছিলেন না।

লোকসান করে এ কে আজাদ সিদ্ধান্ত নিলেন পুরনো ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙতে হবে। নবীন ব্যবসায়ীদের নিয়ে নামলেন কঠিন এই কাজে। ব্যবসায়ীদের সংগঠিত করলেন। নির্বাচনে জিতলেন। এরপর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যত দিন গিয়েছে, শুধু সামনের দিকে এগিয়েছেন। ব্যবসার পরিধি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়েছে। তার প্রতিষ্ঠিত হা-মীম গ্রুপে বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৫৪ হাজার।

(ঢাকাটাইমস/২৫মে/ডিএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত