ভালুকায় বন কর্মকর্তার হয়রানি বন্ধের দাবি গ্রামবাসীর

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫২

বনবিভাগের লোকজনের হুমকি ও হয়রানিসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ছয়টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার খোলাবাড়ি গ্রামের পন্নাভিটা মসজিদের সামনের খোলা মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম।

সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পেশার মানুষ উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ও তাঁর লোকদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বক্তব্য তুলে ধরেন। সবশেষে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে ছয়টি দাবি তুলে ধরা হয়।

দাবিগুলো হলো- স্থানীয়দের ফল-ফসল, বাঁশ, সবজি আবাদের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের সুযোগ দেয়া; হুমকি, হয়রানিসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা; অবৈধ টাকা নেওয়া ছাড়া থাকার ঘর নির্মাণের সুযোগ দেয়া; স্থানীয়দের রেকর্ডকৃত জমি ও বন বিভাগের জমির সীমানা নির্ধারণ; সরকারের বন্দোবস্ত দেওয়া জমির নামজারির মাধ্যমে হস্তান্তরের সুযোগ রাখা; স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বনবিভাগের লোকদের মতবিরোধ হলে বনভূমি বিরোধ নিস্পত্তি কমিটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী করনীয় ঠিক করা।

সভার বক্তব্য থেকে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন মৌজার স্থানীয় ভূমি মালিকদের পাশাপাশি বন বিভাগের দাবিকৃত বেশ কিছু জমি রয়েছে। এসব জমিতে বংশ পরমপরায় স্থানীয় বাসিন্দারা বসবাস করে আসছেন। উৎপাদন করছেন নানা সবজির পাশাপাশি ধান, ফল ও বাঁশ।

সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের রোপণ করা বিভিন্ন জাতের গাছ ও বাঁশ কাটতে বাধা দিচ্ছে উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তা। নিজেদের ঘর-বাড়ি তৈরির প্রয়োজনে বাঁশ কাটলেই করা হয় হয়রানি। দেওয়া হয় মামলার হুমকি। রেঞ্জ কর্মকর্তার এমন আচরণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন।

স্থানীয় হাফেজি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোতাহার হোসেন বলেন, বেশ কয়েকবছর আগে বনবিভাগের দাবিকৃত জমিতে একটি হাফেজি মাদ্র্রাসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদ্রাসায় ছাত্রের সংখ্যা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে আরেকটি ঘর নির্মাণের প্রয়োজন। কিন্তু উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং মামলার ভয় দেখান। অথচ স্থানীয় সাংসদ সব কিছু জেনে ওই মাদ্রাসার জন্য সরকারিভাবে ডেউটিন বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন।

এসব বিষয়ে উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ফোনে বলেন, সব অভিযোগ মিথ্যা। আমি জেলা বন কর্মকর্তার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

(ঢাকাটাইমস/১৭সেপ্টেম্বর/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :