বিএসএমএমইউয়ে ‘শেখ রাসেল চাইল্ডহুড ক্যানসার সারভাইভর গ্যালারি’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪২

স্বাস্থ্য/ছবি

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শিশু ক্যানসার সচেতনতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডি ব্লকের তৃতীয় তলায় শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগে ‘শেখ রাসেল চাইল্ডহুড ক্যানসার সারভাইভর গ্যালারি’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি উদ্বোধন করেন বিএসএমএমইউর উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

এ সময় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শেখ রাসেলের জীবনের ওপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এদিকে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার বিকালে বিএসএমএমইউর এ ব্লকে অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউর উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, শেখ রাসেল যদি বেঁচে থাকতেন দেশকে অনেক কিছুই দিতে পারতেন। শেখ রাসেলের মাঝে বঙ্গবন্ধুর মতোই শিশুসুলভ ও বন্ধুবৎসল গুণাবলী বিদ্যমান ছিল।

মন্ত্রী বলেন, শেখ রাসেলকে যারা হত্যা করেছে সেই পাকিস্তানি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বর্তমানেও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা দেশে পাকিস্তানি ভাবধারা প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তাদের সেই দুঃস্বপ্ন কোনোদিনও বাস্তবায়ন হবে না।

তিনি শেখ রাসেলের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নেপথ্যের খুনিদের খুঁজে বের করতে একটি ট্রুথ কমিশন গঠন করার দাবি জানান।

বিএসএমএমইউর উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ সব শিশুর প্রতি শুভ কামনা করে বলেন, শেখ রাসেল আমাদের অনুপ্রেরণা। আজ যদি শেখ রাসেল বেঁচে থাকতেন তাহলে তিনি ৫৭ বছর পূর্ণ করে ৫৮ বছরে পদার্পণ করতেন। এই বয়সে তিনি নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে শামিল হতেন। ভিশন ২০২১, ২০৩০, ২০৪১, ডেল্টা প্ল্যান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে তার বোন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে আধুনিক উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করতেন। হয়তো তিনি বিজ্ঞানী অথবা জাতির পিতার মতো বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কান্ডারি হতেন। কিংবা হতে পারতেন বার্ট্রান্ড রাসেলের মতোই স্ব-মহিমায় উজ্জ্বল বিশ্বমানবতার প্রতীক। শেখ রাসেল মারা যাওয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হারিয়েছেন তার আদরের ছোট ভাইকে আর বাংলাদেশ হারিয়েছে একজন সম্ভাবনাময় প্রতিভাবান সন্তানকে। শেখ রাসেল আজ প্রতিটি শিশু কিশোর তরুণের কাছে ভালোবাসার নাম, মানবিক বেদনাবোধ সম্পন্ন মানুষেরা শহীদ শেখ রাসেলের বেদনার কথা হৃদয়ে ধারণ করে চিরদিন শিশুদের জন্য কাজ করে যাবে। ইতিহাসের মহা শিশু হয়েই বেঁচে থাকবে প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত এম আমজাদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাবেক উপ-উপাচার্য মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, সিন্ডিকেট মেম্বার কাজী শহীদুল আলম, রেজিস্ট্রার এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এ টি এম আতিকুর রহমানসহ শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা নার্স ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে শেখ রাসেল জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

এর আগে সোমবার সকালে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

(ঢাকাটাইমস/১৮অক্টোবর/এএ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :