বনের রাজা ওসমান গনি কোথাও নেই!

আশিক আহমেদ, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৩৫ | প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৪৫

আপনাদের মনে আছে বনখেকো ওসমান গনির কথা ? প্রায় ১৫ বছরের আগের কথা। বনের রাজা হিসেবে আখ্যা পাওয়া গনির বাসার বালিশের ভিতর মিলেছিল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। তোশকের নিচে টাকা। চালের ড্রামে, ওয়ারড্রোব, আলমারি ও বাসার ঘুপচিতেও টাকা। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকাসহ আটক করা হয়েছিল তাকে। মামলা হওয়ার পর ২০০৭ সালের ১৮ জুন তিনি কারাগারে যান। দুর্নীতির অভিযোগে আদালত তাকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেয়। আর এই কারাভোগের মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ১৮ জুন।

হিসাবমতে ওসমান গনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে। এখনও কোথায় আছেন তিনি এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে খোঁজ নেওয়া হয় কাশিমপুর কারাগার পার্ট-১ এ। যেখানে ওসমান গনি সবশেষ বন্দি ছিলেন।

ওসমান গনির খবর জানতে চাইলে কাশিমপুর পার্ট-১ এর জেলার মো. তরিকুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, এটাতো অনেক আগের কথা। সাধারণত কোনো কয়েদি মুক্তি পাওয়ার পর আমরা তার ব্যাপারে কোন খোঁজ খবর রাখি না।

এরপর শুরু হয় ঢাকাটাইমসের বনের রাজা ওসমান গনির বিষয়ে অনুসন্ধান। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ওসমান গনি কারাগারে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী-সন্তান পলাতক ছিলেন। যখন ওসমান গনির মামলার রায় ঘোষণা করা হয় তখন, ওসমান গনিকে কারাগার থেকে এজলাসে হাজির করা হলেও তার স্ত্রী মহসিন আরা গনি ছিলেন পলাতক। ওই সময় থেকে ওসমান গনির স্ত্রী-সন্তানরা কোথায় আছেন কেউ জানেন না। জানা গেছে, ওসমান গনির সাজা হওয়ার পর তারা অবশিষ্ট সহায়সম্পত্তি বিক্রি করে বিদেশ চলে গেছেন।

একটি সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শাহপুর গ্রামে ওসমান গনির বোনের শ্বশুর বাড়ি। সেখানে খোঁজ নিলে আনোয়ার হোসেন নামের ওসমান গনির এক ভাগ্নের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। ওসমান গনির কথা বলাতেই তিনি বলে ওঠেন, কোন ওসমান গনি ফরেস্টার ? উত্তরে জি বলাতেই তিনি ফোনের অপরপ্রাপ্ত থেকে বলে ওঠেন তিনি কোথায় আছেন , আমরা সেটা জানি না। তিনি তো আপনার মামা হয়, তাহলে আপনার মামা এখন কোথায় থাকেন, সেটা আপনি জানেন না ? এমন প্রশ্নের উত্তর শুনে ফোনের লাইন কেটে দেন আনোয়ার হোসেন। জানা যায়, এই শাহপুর গ্রামে একটি বিলাশবহুল বাড়ি তৈরি করেছিলেন ওসমান গনি।

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ নেই ওসমান গনির। তিনি তার বাড়িতে বৃদ্ধা মাহফুজা বেগম আর প্রতিবন্ধী বোন হালিমার সঙ্গে থাকেন কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার আসাদপুর ইউনিয়নের কৃপারামপুর গ্রামে। অবশেষে ওসমান গনির খোঁজ খবর জানতে ১৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অফিসের ডে অফ থাকায় ওসমান গনির গ্রামের বাড়ির উওদ্দশ্যে রওনা হই। আমার বাসা থেকে সায়েদাবাসের মুরাদনগর একপ্রেসের একটি বাসে দেড়শ টাকার টিকিট কেটে বাসে ওঠে বসি গৌরিপুর যাওয়ার জন্য। সাধারণত এক ঘণ্টার পথ হলেও সেখানে যেতে সময় লেগে যায় প্রায় আড়াই ঘন্টা। কারণ বাসটি ঘনঘন থেমে থেমে যাত্রী তুলেছে।

গৌরিপুর নেমে সিএসজিতে ৬০ টাকায় ভাড়া ঠিক করে উঠে হোমনা থানা সদরে যাই। তখন বিকাল সাড়ে ৪টা ক্ষুদায় পেট চোঁ চোঁ করছে। একটি হোটেলে গিয়ে গরুর গোশত আর করলা ভাজি দিয়ে ভাত খেয়েই হোমনা থেকে আরেকটি সিএনজিতে উঠলাম ৫০ টাকা ভাড়া ঠিক করে চান্দেরচর যাওয়ার জন্য। সিএনজিটি চান্দেরচর নামিয়ে দেওয়ার পর একটি দোকানে বসে রঙ চা খেলাম। তখন দুয়েকজনকে ওসমান গনির কথা জিজ্ঞাসা করতে ওনারা বলে ওঠেন, তিনি তো সব কিছু ঢাকায় করেছেন। এখানে কিছু করেছেন না কি? কৃপারামপুর গ্রামের জন্য কিছু করলে ওনার কিছুই হতো না।

পরে পায়ে হেটে প্রায় ১০ মিনিট হাঁটার পর গঙ্গারার বিল। সেখান থেকে একটি টলারে ২০ টাকা ভাড়ায় ওঠলাম কৃপারামপুর গ্রামের উদ্দেশ্যে। টলারচালক অবশ্য খুব ভালো মানুষ। তিনি ২০ টাকা ভাড়া নিলেও আমাকে ওসমান গনির বাড়ির কাছের একটি পাকা ঘাটে নামিয়ে দিয়েছেন। ওই টলারে থাকা আমার আরেক নারী সহযাত্রী আমাকে ওসমান গনির বাড়ি ঢোকার গেইট দেখিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, ভাই, আমি এই গ্রামের বউ। মানুষের মুখে শুধু ওসমান গনির নামই শুনেছি। কিন্তু কখনও মানুষটাকে চোখে দেখিনি।

শুনলাম তিনি এখন মায়ের সঙ্গে এই গ্রামে থাকেন? এমন প্রশ্নের উত্তর শুনে ওই নারী বললেন, ভাই সেটা বলতে পারবো না। তবে আমি কখনও তাকে দেখি নাই। যাইহোক সবশেষে ওসমান গনির বাড়িতে ঢুকে দেখি কেউ নেই। ঘরে তালা মারা। তবে তার বাড়ির টিনের ঘরের নিচের চারপাশে ভিটা পাকা করার কাজ করছে। সেখানে ইটবালি রাখা আছে।

প্রতিবেশী খুদু নামে এক নারীর কাছে ওসমান গনির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি আমার প্রতিবেশী চাচা। কোথায় থাকেন সেটা জানি না। তবে আপনি একটু বসেন। এরপর ঘরে ঢুকে যেন কাউকে ফোন করলেন।

কিছুক্ষণ পর ওসমান গনির ভাগনে আসলেন তার নাম জামিল। তিনি ওসমান গনির প্রতিবন্ধী বোন হালিমার ছেলে। হালিমার এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে জামিলা চান্দিনা রুলার ডেভোলাপমেন্ট অফিসে সরকারি চাকরি করেন। তিনি জানতে চাইলে ওনার বিরুদ্ধে কী আর কোনো অভিযোগ আছে ? কেন তার খোঁজ করছেন ? তখন তাকে বলা হলো, এমনিতেই ওনার কথা জানতে চাচ্ছি। তখন জামিল বললেন, তিনি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখেন না। তিনি কোথায় থাকেন, সেটা আমি বলতে পারবো না।

আপনার মা ও নানী কোথায় এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দিলেন না জামিল। পরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, ওসমান গনির মা আর বোন থাকেন হোমনা থানা সদরে জামিলের বোনের সঙ্গে। আর ওসমান গনিরা তিন ভাই। একভাইয়ের নাম আবদুল বাতেন, আরেক ভাইয়ের নাম খোকন। খোকন ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় থাকেন। তিনি এই বাড়ির ভিটা পাকা করার কাজ করাচ্ছেন। আর জামিল প্রতি বৃহস্পতিবার গ্রামের এসে বাড়িঘরের খোঁজ খবর নেন। তবে জামিলের আচারণে সন্দেহ হয়, মনে হলো তিনি জানেন ওসমান গনি কোথায় আছেন। কিন্তু বলতে চাচ্ছেন না।

পরে কৃপারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এসে আরো কয়েকজন প্রতিবেশিদের কাছে ওসমান গনির খবর জানতে চাইলে ওনারা বলেন, একবার শুনি তিনি আমরিকায় চলে গেছেন, আবার শুনি তিনি লন্ডনে চলে গেছেন। আসলে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কোথায় গেছেন সেটা কেউ বলতে পারবে না। শুধু তার পরিবারের সদস্যরাই বলতে পারবেন। তবে কেউ মুখ খুলতে চাননা।

পরে তাদের কাছে জানতে চাইলাম আসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে ? তারা বললেন, জালাল পাঠান। কিন্তু তিনি এখন জেলে। কয়েকদিন পরেই ছাড়া পাবেন। তাহলে ওনার দায়িত্ব কে পালন করছেন, তখন ওনারা বললেন, শিব্বির আহমেদ। ওনাদের কাছ থেকে শিব্বির আহমেদের মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ওসমান গনির কথা আমার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি। কিন্তু শিব্বির আহমেদ পরে আর ওসমান গনির ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।

এ ব্যাপারে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, না ওসমান গনির বিষয়ে কোনো খোঁজ খবর আমার জানা নেই।

গ্রামবাসীর ভাষ্যমতে, ওসমান গনির মা মাফুজা বেগমের বয়স একশ বছরের বেশি। বেশিরভার সময়ে তিনি অসুস্থ থাকেন। তাই যে কোন সময়ে মারা যেতে পারেন। আর প্রতিবন্ধী বোন হালিমার বিয়ে হলেও তিনি সেখানে সংসার করতে পারেননি। সারাজীবন থেকেছেন মার সঙ্গে। সেখানেই তার ছেলে-মেয়ের জন্ম হয়েছে। গনির পিতা ওয়াজেদ আলী রেলওয়েতে চাকরি করতেন। তিনি প্রায় ২০ বছর মারা গেছেন।

একটি সূত্র জানায়, বন বিভাগের প্রশাসন থেকে জানানো হয়, ওসমান গনি গ্রেপ্তার হওয়ার পরই তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে দণ্ডিত হলে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়। ইতিমধ্যে তার ৫৭ বছর পূরণ হওয়ায় চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। ওসমান গনি এখন বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নন। সেই হিসাবে তিনি সরকার থেকে কোনো পেনশন পান না।

দুর্নীতি করে শাস্তি পাওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্যবহার করে কথিত বনের রাজা ওসমান গনিকে। ২০০৭ সালের ২৯ মে তৎকালীন গুরুতর অপরাধ দমন অভিযানে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ওসমান গনিকে গ্রেপ্তার করে উত্তরার সরকারি বাসা থেকে। সঙ্গে মিলেছিল নগদ এক কোটি ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৬০০ টাকা। পাওয়া যায় ৪১ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকার সঞ্চয়পত্র। দুটি পাসপোর্ট। নগদ প্রাপ্ত অর্থ তিনি ঘুষ হিসেবে নিয়েছিলেন। যৌথ বাহিনী ৫৪ ধারায় আটকের পর ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলায় পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত: আটকাবস্থায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৬ (২) ধারায় সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। এ পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারে থেকেই ওসমান গনি ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই সম্পদ বিবরণী জমা দেন। বিবরণীতে তিনি স্ত্রী মহসিন আরা ও তার নিজের নামে তিন কোটি ৭০ লাখ ১৫ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদসহ ২৯০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর মধ্যে তার নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৪৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৬ টাকার এফডিআরসহ (স্থায়ী আমানত) ১ কোটি ৫৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৯১ টাকা জমা থাকার তথ্য দেন। ২০০৮ সালের ৫ জুন ওসমান গনিকে ১২ বছর ও তার স্ত্রী মহসিন আরা গনিকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিশেষ আদালতের বিচারক এ কে এম আরিফুর রহমান। একই আদেশে ওসমান গনির নামে থাকা ১ কোটি ৮০ লাখ ও স্ত্রীর নামে থাকা ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং ২৭০ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেন।

কেমন ছিলেন ওসমান গনি: জেলখানায় যাওয়ার পর রাত-দিন বদলে যায় ওসমান গনির। তিনি উচ্চশিক্ষিত। পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছিলেন বন বিভাগে চাকরি করার সময়। প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রথম শ্রেণির বন্দীর মর্যাদায় রাখা হয়েছিল তাকে। ২০০৭ সালের ১৮ জুন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ হন। গত বছর ৮ মার্চ তাকে কাশিমপুর ১ নম্বর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘ সময় তাকে দেখেছেন এমন কয়েকজন কারারক্ষী বলেছেন, ওসমান গনি অত্যন্ত ধীরস্থির স্বভাবের মানুষ। বেশির ভাগ সময়ই কাটান পড়াশোনা করে। নামাজ পড়েন নিয়মিত। কখনো কখনো করেন ইমামতিও। দাড়ি রেখেছেন বহু আগেই। অবসরে গল্প-আড্ডায় মেতে থাকেন অন্য বন্দীদের সঙ্গে।

২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাকরিচ্যুত প্রধান বন সংরক্ষক ওসমান গনিকে বিচারিক আদালতের দেওয়া দণ্ড, জরিমানা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারিক আদালতের রায়ের পর উচ্চ আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে তাঁর করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ তার আপিল খারিজ করে দেন।

তখন আদালতে ওসমান গনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি এখন অ্যটর্নী জেনারেল।

ওসমান গনির বিষয়ে খবর জানতে ঢাকাটাইমসকে যোগাযোগ করেছিলেন ওসমান গনির এই আইনজীবীর সঙ্গে। আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ওনার একজন আইনজীবী আমাকে ডেকে নিয়েছিলেন, তাই ওনার পক্ষে শুনানি করেছিলাম। আপনি ওনার আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওনার আইনজীবীর নাম কী ? এমন প্রশ্নের জবাবে দেশের এই প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, এটা অনেকদিন আগের কথা ঠিক মনে নেই।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক ওসমান গনিকে ১২ বছরের সাজা দিয়ে দেওয়া নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন ওসমান গনি।

২০০৮ সালের ৫ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ওসমান গনিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেন।

(ঢাবাটাইমস/১৭ সেপ্টেম্বর/এএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :