ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে যেসব খাবার

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৪৩

যে কোনো রোগের ক্ষেত্রে সব চেয়ে আগে মাথায় আসে খাবার-দাবারের প্রসঙ্গ। ক্যানাসরের ক্ষেত্রেও তাই। এটি এখনো একটি অতি ভীতিকর রোগ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছে এমন কিছু খাবার আছে যেগুলোকে হাতিয়ার করে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। যেমন-

ক্যাবেজ জাতীয় সবজি

বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ওলকপি, শালগম। এই ধরনের সবজিতে আইসোথায়োসায়ানেট নামে এক ধরনের ফাইটোকেমিকেল থাকে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়া এগুলোতে ক্যানসার প্রতিরোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে। ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে অন্যান্য কয়েকটি সবজিও কার্যকরী। যেমন- পেঁয়াজ, মরিচ, গাজর, বিট।

বাদাম

চিনাবাদাম ভিটামিন-ই এর সবচেয়ে ভালো উৎস। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ চিনাবাদাম কোলন, ফুসফুস, যকৃত এবং অন্যান্য ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তাই সকালে কিংবা বিকালের খাবারে একটু চিনাবাদাম রাখতেই পারেন।

মাশরুম

উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন এই মাশরুম। এটি যে কোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্যানসারের বিরুদ্ধেও লড়াই করে।

তৈলাক্ত মাছ

কিছু কিছু মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটি প্রকৃতিগত ভাবে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিটিউমার ও অ্যান্টিক্যানসার বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফলে তৈলাক্ত মাছ খাদ্য তালিকায় রাখুন।

গ্রিন টি

ক্যানসার রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণ মেটাস্ট্যাসিস বা ক্যানসার-আক্রান্ত কোষের ছড়িয়ে পড়া। গ্রিন টি-তে রয়েছে পলিফেনোলিক কম্পাউন্ড, ক্যাটেচিন, গ্যালোক্যাটেচিন এবং ইজিসিজি (অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ক্যানসারের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে, টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে ও গোটা শরীরে ক্যানসারের ছড়িয়ে-পড়া বা মেটাস্ট্যাসিস রুখে দেয়।

ফলে নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসার যদি প্রাথমিক স্তরে শনাক্ত করা যায়, তাহলে খুব দ্রুত এবং সহজেই এ রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। ক্যানসার চিকিৎসকরা বলে থাকেন, একেবারে শুরুর দিকে শনাক্ত করা গেলে সব ক্যানসারই আরোগ্যযোগ্য। তাই উপসর্গের ব্যাপারেও একটু সচেতন থাকা দরকার।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই ক্যনসারের উপসর্গ নিয়ে সচেতন নন। উপসর্গ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই! তবে যদি উপসর্গ চিনে নিতে পারেন এবং দেখেন যে, এসব উপসর্গের কোনো একটি বা দুটি তিন সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হচ্ছে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

(ঢাকাটাইমস/৯নভেম্বর/এজে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :