পাঁচ দিনের জোড়ে এসেছেন সাদ কান্ধলভির তিন ছেলে, জুমার নামাজ পড়াবেন বড় ছেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৪৪ | প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৪১

তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা লাখো মুসল্লির সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠেছে ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের বামনশূলে কিংস্টার হাউজিং। গতকাল তাবলীগের দিল্লির নিজামুদ্দিন বিশ্ব মারকাজের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর তিন ছেলেসহ মাওলানা আব্দুস সাত্তারের জিম্মাদারিতে তাবলীগের শীর্ষ ১৫ জন মুরুব্বি ময়দানে এসে পৌঁছেছেন।

মাওলানা সাদ কান্ধলভির বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভি আজ শুক্রবার জুমার নামাজ পড়াবেন বলে জানা গেছে। সাদ কান্ধলভির অন্য দুই ছেলে হলেন—মাওলানা সাঈদ বিন সাদ কান্ধলভি এবং ছোট ছেলে মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ কান্ধলভি।

তাবলীগ জামাতের সূত্রে জানা যায়, ৫৬ বছর ধরে টঙ্গীর ময়দানে বিশ্ব ইজতেমার স্বাগতিক দেশ ও প্রস্তুতি হিসেবে এই জোড় অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছর টঙ্গীর ময়দানের পরিবর্তে কেরানীগঞ্জে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জোড়ে তাবলীগের পুরো বছরের সারাদেশের কাজের রিপোর্ট পেশ করা হয়, আবার আগামী এক বছরের কাজের পরিকল্পনা নেয়া হয়। জোড় থেকে দেশি-বিদেশি জামাত বিশ্ব ইজতেমার দাওয়াতের জন্য পাঠানো হয়। বিশ্ব ইজতেমার মতোই এ জোড়েও তাবলীগ জামাতের মূলধারা কেন্দ্রীয় বিশ্ব মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দিনের মুরুব্বিরা গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করেন।

এ বিষয়ে কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বিরা জানান, ৫ দিনের জোড় তাবলীগের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ দীনি আয়োজন। এর সফলতার ওপরই টঙ্গীর ময়দানে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি ও আগামী এক বছরের কাজের অগ্রগতি নির্ভর করে।

তাবলীগের সাথি ও মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, টঙ্গীর ইজতেমায় গতবছর বিশ্ব আমির মাওলানা সাদের ছেলেরা এলেও পাঁচ দিনের জোড়ে প্রথমবারের মতো তাদের অংশগ্রহণে তাবলীগের সাথিরা ব্যাপক উচ্ছসিত। শুক্রবার বাদ ফজর থেকে জোড় শুরু হওয়ার কথা থাকলে হাজার হাজার মুসল্লি বৃহস্পতিবার থেকেই ময়দানে আসতে শুরু করেছেন। এই জোড় মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

তাবলীগ জামাতে ৩ চিল্লার সাথি ও ১ চিল্লা সময় লাগিয়েছেন এমন উলামায়ে কেরাম কেবল এই জোড়ে শরিক হয়েছেন।

জামিয়া কাশিফুল উলুম ঢাকার মুহতামিম বিশিষ্ট আলেম ও মুবাল্লিগ মাওলানা সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ জানান, এই পাঁচ দিনের জোড়ে ১৬টি দেশে প্রায় আটশ বিদেশি মেহমান উপস্থিত হয়েছেন। বিদেশি মেহমানরা বিশ্ব ইজতেমা পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় দাওয়াতি কাজ করবেন। এছাড়া বাংলাদেশের দুই লাখের মতো তিন চিল্লার সাথি আছেন। এই জোড় ইজতেমায় দেড় লক্ষাধিক ৩ চিল্লার সাথি উপস্থিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

(ঢাকাটাইমস/১৩অক্টোবর/এফএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ইসলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :