ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেওয়ানবাগ শরীফে লক্ষাধিক মানুষের র্যালি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঢাকার দেওয়ানবাগ শরীফে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে লক্ষাধিক আশেকে রাসুল অংশ নিয়েছেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বুধবার হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ১৫০১তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে এই র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালির আগে দিনব্যাপী ‘আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন দরবারের পীরসহ প্রায় ৪০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
র্যালির আগে দেওয়া বক্তব্যে মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ করে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের আহ্বান জানান।
কুদরত এ খোদা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আশেকে রাসুলদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের দিন। মুসলিম জাতি দীর্ঘদিন এই আনন্দ উদ্যাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তাঁদের মধ্যে ধারণা ছিল, হযরত রাসুল (সা.) একই দিনে জন্ম ও ওফাত লাভ করেছেন।
তিনি বলেন, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সংস্কারক সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে এই ধারণার অবসান ঘটান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হযরত মোহাম্মদ (সা.) ১ রবিউল আউয়াল ওফাত লাভ করেন এবং ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন।
কুদরত এ খোদা বলেন, এ কারণে এখন মুসলিমরা মহানবী (সা.)-এর জন্মদিনে আনন্দ উদ্যাপনের সুযোগ পাচ্ছেন।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ইসলামে শতাধিক সংস্কার করেছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপন শুরু করেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
সম্মেলনে দেশবরেণ্য আলেমদের পাশাপাশি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক), নজরুল গবেষক ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন, কলাম লেখক ও গবেষক ড. মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন সোহেল, জাতীয় আইন কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান মিয়া এবং হযরতুল আল্লাম মুহাদ্দিস এমরান হোসাইন মাজহারী। এ ছাড়া বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও সম্মেলনে বক্তব্য দেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































