সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি সার রয়েছে। তবে সার বিতরণব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, সার নিয়ে কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা মিলনায়তনে প্রশাসন ও জেলার নিবন্ধিত রাসায়নিক সার ডিলারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিগত সময়ে যাঁদের সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের অনেকেই একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী। কেউ কেউ পারিবারিকভাবে ডিলার হয়েছেন। তাঁদের অনেকেই বর্তমানে পলাতক। আবার অনেকে ঠিকভাবে সার সরবরাহ করছেন না। এ কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সার নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে মব, আতঙ্ক ও গুজব সৃষ্টি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।’ কৃষকদের কাছে সুষ্ঠুভাবে সার পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বর্তমানে যাঁরা ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের বাদ দেওয়া হবে না।
সার বিক্রিতে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগের কথাও বলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ হাজার ২০০ টাকা দামের সার রাতের আঁধারে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে যেন কেউ সার বিক্রি করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, পঞ্চগড়ে সারের সংকট দেখিয়ে বা অতিরিক্ত মুনাফার জন্য ১ হাজার ২০০ টাকার সার ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রির মতো কৌশল নেওয়া হলে কৃষকদের হেনস্তা করা হবে না। একই সঙ্গে কৃষকদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার মজুত ও জমিতে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক শুক্রিয়া পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু ও চেম্বারের সভাপতি শরিফ হোসেনসহ প্রশাসন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা এবং সার ডিলারেরা বক্তব্য দেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































