বঙ্গবন্ধুকে শিশুদের মত করে উপস্থাপন হচ্ছে কি?

শেখ আদনান ফাহাদ
 | প্রকাশিত : ১৭ মার্চ ২০১৭, ১৫:১০

আমাদের শিশুদের সবাই কি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চেনে? মূলধারার শিক্ষায় ছাত্ররা জাতির জনকের নাম হয়তো জানে, ছবি দেখে হয়তো চিনতে পারবে, অনেকে হয়তো বলতেও পারবে যে, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির জনক। অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সঠিক ইতিহাসযুক্ত পাঠ্যপুস্তক থাকায় কিছুটা জানতে পারছে আমাদের শিশুরা। কিন্তু বাকিরা?

দেশের আনাচে কানাচে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে উঠা কিন্ডারগার্টেন স্কুল, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কিংবা মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশুরা কতখানি চেনে বঙ্গবন্ধুকে? শিশুদের মন ও মগজে আমরা কতটুকু প্রবেশ করাতে পেরেছি জাতির জনককে। রাষ্ট্র কি শিশুদের সামনে বঙ্গবন্ধুকে তাদের বয়স ও মনের মত করে তুলে ধরতে পারছে?  

আওয়ামী লীগ বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির সভা-সেমিনারে গম্ভীর কিংবা উঁচু গলার গৎবাঁধা ভাষণ শুনে শিশুদের বঙ্গবন্ধুর প্রতি মনোযোগী করা যাবে এমনটা আশা করা যায় না। আবার সংবাদপত্রের কলাম কিংবা টেলিভিশনের বোরিং টক শো দিয়েও শিশু-কিশোরদের আকৃষ্ট করতে পারার কথা না।  হিউম্যান সাইকোলজি অন্তত তাই বলে। আমাদের শিশুদের মগজের খবর নিয়েছি আমরা?

শিশুদের সামনে যে কোনো বিষয় শিশুদের মত করে উপস্থাপন করতে হয়। যেমন অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অনেকক্ষেত্রে শিশুদের পড়াতে পারবেন না। আমাদের শিশুরা যদি জাতির পিতাকে তাদের জীবনের আদর্শ মনে না করে কিংবা আমরা যদি জাতির পিতাকে শিশুদের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে না পারি, তাহলে এত কথা, এত অনুষ্ঠান, এত বক্তৃতা করে আখেরে কী লাভ?

আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কী এমন কর্মসূচি আছে যা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে? আওয়ামী লীগের কি কোনো কেন্দ্রীয় প্রকাশনা আছে, যেখানে বঙ্গবন্ধুকে শিশুদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। শিশু মুজিব, কিশোর মুজিব, তরুণ মুজিব, বঙ্গবন্ধু মুজিব এবং জাতির জনক মুজিব এভাবে এই মহান নেতার জীবনের প্রতিটি পর্বকে তুলে ধরা হয়েছে এমন কোনো প্রকাশনা আওয়ামী লীগের আছে? এদেশে আওয়ামী লীগ যে হাজারো বাধা পেরিয়ে টিকে থাকে, তার অন্যতম কারণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী ও ভক্ত পরিবারগুলো। ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারগুলো নিজেদের শিশুদের পাশাপাশি অন্যদেরকেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি আগ্রহী করে গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

অবশ্য আগেকার দিনের ‘আওয়ামী’ পরিবার আর বর্তমানের ‘আওয়ামী’ পরিবারের মধ্যে পার্থক্য আছে। এখন তো অনেক পরিবার আছে যেখানে, বাবা আওয়ামী লীগ, চাচা বিএনপি, এক ভাই জামাত, আরেকভাই জাতীয় পার্টি করে। অর্থাৎ পুরো প্যাকেজ প্রোগ্রাম। যখন যে দল ক্ষমতায় আসবে, সুবিধা নিতে যেন এতটুকু অসুবিধা না হয়। এ জাতীয় আওয়ামী লীগার কিংবা পরিবার যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নন, সেটা বলাই বাহুল্য।

মুক্তিযোদ্ধা সনদ ম্যানেজ করা, হলে একটু ভালো থাকা, চাঁদাবাজি, ফুটপাথ দখলে রাখা, চাকরির বাজারে একটু ফেভার পাওয়া, সরকারি চাকরিতে দ্রুত প্রমোশন পাওয়া, ব্যবসায় একটু অবৈধ সুবিধা নেয়া ইত্যাদি নানা লোভে মানুষ লোক দেখানো আওয়ামী লীগ করতে পারে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে এদের আনাগোনা এবং আধিপত্য বেড়ে যায়। এদের কাছ থেকে কিছু আশা করা বোকামি। এরা বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে শুধু নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত।

এদেরকে দেখবেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করে শুধু নিজেদের প্রচার করে। এরা বঙ্গবন্ধুকে কতখানি ভালোবাসে সেটা পোস্টার দেখলেই বোঝা যায়। বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকে পোস্টারের এক কোণায়, ছোট করে। এরা নিজেদের ছবি দেয় পুরো পোস্টার জুড়ে। এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুধুমাত্র বাংলাদেশেই আছে বলে আমার ধারণা।

যাইহোক, ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে কত মানুষ নিজেদের ব্যাংক ব্যাল্যান্স বানিয়ে নিয়েছেন তার হিসেব নিশ্চয় দুর্নীতি দমন কমিশন একদিন নেবে। এই চেতনা ব্যবসায়ীদের জাতি একদিন অবশ্যই চিনবে। যাইহোক, নতুন প্রজন্ম এই দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে কিছু আশা করে না। কিন্তু নতুন প্রজন্ম এদের আধিপত্য মেনে নিলেই যে চূড়ান্ত সর্বনাশ।

যাইহোক, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আর শিশু দিবসের কথায় ফিরে আসি। টুঙ্গিপাড়ার শিশু মুজিব থেকে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠার পথে যতগুলো বড় বড় ঘটনা আছে তার প্রতিটি নিয়েই দারুণ সব ডকুমেন্টারি বানানো যায়, যা দেখে দেখে আমাদের বাচ্চারা বড় হবে আর নিজেদেরকে একজন বাংলাদেশপ্রেমী, সৎ, নিষ্ঠাবান, আন্তরিক ও পরিশ্রমী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস পেতে পারে।

কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমাদের তৈরি করা একটা আন্তর্জাতিক মানের ডকুমেন্টারি দেখাতে পারবেন? বাচ্চাদের উপযোগী ভালো মানের অনুষ্ঠান আছে? ছোট মুজিব যেভাবে স্কুলে যেতেন, স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে কীভাবে কথা বলতেন, কীভাবে হাঁটতেন, কীভাবে খেলাধুলায় অংশ নিতেন, যখন দৌঁড় দিতেন কেমন হত তাঁর শরীরী ভাষা?

ছোটবেলা থেকেই অন্যায়, অত্যাচার দেখলে যখন প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়ে প্রতিবাদ করতেন তিনি। প্রতিবাদী কিশোর মুজিবের শক্ত চোয়াল দেখতে কেমন হত? শিক্ষকদের তিনি সম্মান করতেন, শিক্ষকরাও তাঁকে আদর করতেন। স্কুলের ছাত্রও যে সমাজ বদলে ভূমিকা রাখতে পারে তাঁর অনেকগুলো নজির সৃষ্টি করেছিলেন সেই ছোট মুজিব।

স্কুলে একদিন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আর শেরেবাংলা আসলেন, মুজিব স্কুলের সমস্যার কথা বললেন। এগুলো আমরা অনেকেই জানি। শুধু পত্রিকা আর বইপত্রের মাধ্যমে জানি। ব্রিটিশ আমল, ১৯৪৭ এর পাকিস্তান আন্দোলন এবং ভারত থেকে আলাদা হয়ে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও যুবক মুজিবের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আবার পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে বাঙালির একান্তই নিজের একটা স্বাধীন রাষ্ট্র কায়েমের বিপ্লবের প্রতিটি প্রক্রিয়ায় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

শেষপর্যন্ত এই মহান নেতার ঘোষণা ও আহবানেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জনের সশস্র বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে। এই মহান নেয়ার জীবনের প্রতিটি পর্ব নিয়েই একটা আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম চলচ্চিত্র হতে পারে। বাচ্চাদের জন্য কমিক লেখা হতে পারে। ছোটগল্প, উপন্যাস হতে পারে। লেখা হচ্ছেও। কিন্তু শিশুদের মগজে কাঙ্ক্ষিত শক্তি নিয়ে প্রবেশ করা কতখানি যাচ্ছে? আমাদের ছেলে-মেয়েরা, তরুণ-তরুণীরা, বাবা-মা, দাদা-দাদিদের বড় একটা অংশ ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল, চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত নির্ভর হয়ে গেছে।

বছরের নির্দিষ্ট কয়েকটা দিন লোক দেখানো কিছু সস্তা অনুষ্ঠান করে, কিছু ব্যানার, পোস্টার করে বঙ্গবন্ধুকে শিশুদের মনে ও মগজে স্থাপন করা যাবে না। রাজনৈতিক দল, সরকার, বেসরকার, সকলকেই ভাবতে হবে কীভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সার্বজনীন করা যায়।

শুধু মুখে মুখে বঙ্গবন্ধুকে উচ্চারণ করলে হবে না। হৃদয়ে ধারণ করতে হবে, আবেগে ধারণ করতে হবে। উনার রাজনৈতিক আদর্শ, অর্থনৈতিক আদর্শ, উনার ধর্মচিন্তা, রাষ্ট্রচিন্তা, মানুষের আর্থ-সামাজিক মুক্তির জন্য উনার আমৃত্যু আত্মত্যাগের ও কষ্টের ইতিহাস শিশুদের সামনে তুলে ধরতে পারলে শিশুরা এই মহান নেতাকে ভালোবাসতে শিখবে।

এক্ষেত্রে শিশুমগজ ও চিত্ত উপযোগী বার্তা কীভাবে দেয়া যায় সেটা নিয়ে রাষ্ট্রনেতা, যোগাযোগ ও মনোবিজ্ঞানী, অনুষ্ঠান নির্মাতা, লেখক-সাহিত্যিকদের ভাবতে হবে। সংবাদমাধ্যম এবং চলচ্চিত্রসহ অন্যান্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের আরও সময় নিয়ে, গবেষণা করে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে অর্থের অভাব হওয়ার কথা না।     

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দু/একটা কাজ চালানোর মত প্রামাণ্যচিত্র থাকলেও আজ পর্যন্ত একটা চলচ্চিত্র নির্মাণ করা গেলনা কেন? দেশভরা বঙ্গবন্ধু’র ‘প্রেমিক’। আওয়ামী লীগ ৮ বছর ধরে টানা ক্ষমতায়। সরাসরি বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা এতদিন ধরে ক্ষমতায়। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আগের যে কোনো সময় থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। আমার মতে টাকা-পয়সার অভাব না, অভাব আমাদের মনে ও মগজে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শিক যোগসূত্র নিয়ে অনেক অনুষ্ঠান তৈরি করা যায়। কিন্তু এমন অনুষ্ঠান তৈরি হচ্ছে কি?  টেলিভিশন এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় গণমাধ্যম। মোবাইল ফোন আসার পরেও টেলিভিশনের আবেদন কমাতে পারেনি। এই টেলিভিশন এর ব্যবহার আমরা কীভাবে করছি দেখুন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, জাতীয় শিশু দিবস। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই টেলিভিশন অন করলাম। সাড়ে আটটার দিকে বিটিভি ওয়ার্ল্ডে দেখলাম লালন গীতি গাইছেন ফরিদা পারভিন। দর্শকদের সরাসরি আলাপন ও গান-বাজনা।  সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর এর মালিকানাধীন দেশ টিভিতে চলছিল সিনেমার গান নিয়ে নির্মিত একটা ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের পুনঃপ্রচার।

দীপ্ত টেলিভিশনে চলছে ‘বেন-টেন’ নামের কার্টুন।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মালিকানাধীন ঢাকা বাংলা চ্যানেলে দেখাচ্ছিল ‘ক্রিকেট কূটনীতি’ শীর্ষক টক শো, তাও পুনঃপ্রচার। অর্থাৎ এই সময়টি কাটানোর মত নতুন কিছু বানায়নি চ্যানেলটি।

একুশে টিভিতে চলছিল এক শিল্পীর নিজস্ব গানের একক পারফর্মেন্স যার সাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই।  সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর গাজী টেলিভিশনে চলছিল ‘জিজ্ঞাসা ও জবাব’ শীর্ষক ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এমনকি বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা বলছে কেউ, কেউ বলছে জাতির জনক। শোনার ভুল না হয়ে থাকলে, শুনলাম এটিএন বাংলা বলেছে ‘জাতির পিতা’, অন্যান্য চ্যানেলগুলো বলেছে জাতির জনক। পিতা আর জনকের মধ্যে শাব্দিক পার্থক্য হয়তো নাই, কিন্তু সাংবিধানিক শব্দ কোনটা? আমার জানা মতে সাংবিধানিকভাবে একটি শব্দ নির্ধারিত আছে।

এটিএন বাংলাকে দেখলাম বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের উপর শিশু, কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে নাচ, গান আর আবৃত্তির অনুষ্ঠান প্রচার করছে। মান খুব দুর্বল হলেও একেই আমার মনে হল সবেধন নীলমণি।

চ্যানেল আইকেও দেখলাম প্রতিদিনের গানের অনুষ্ঠানটি বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ করতে। যমুনা টিভি পুনঃপ্রচার করছিল ‘নির্বাচনের পথে রাজনীতি’ শীর্ষক টক শো।  পার্সেল-কুরিয়ার ব্যবসা করা এসএ পরিবহনের চ্যানেল এসএটিভিতে চলছিল সড়ক পরিবহন সংক্রান্ত আরেকটা টক শো।

বৈশাখী টিভি অবশ্য ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক টক শো প্রচার করে। এটিএন নিউজে সকালের মূল অনুষ্ঠান ছিল ‘নিউজ আওয়ার এক্সট্রা’ শীর্ষক টক শোর পুনঃপ্রচার। এটিএন নিউজের স্ক্রলে দেখলাম, লেখা আছে-‘বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ’। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর এর শিরোনামটিও প্রায় একই রকম।

এই শিরোনামে জাতির জনক শব্দটি জুড়ে দেয়া উচিত ছিল। লিখতে লিখতে দেখি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে গিয়ে পৌঁছে গেলেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যেন হাফ ছেড়ে বাঁচল। শুরু হল সরাসরি সম্প্রচার।

লেখকঃ সহকারী অধ্যাপক, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়       

সংবাদটি শেয়ার করুন

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত