আনোয়ারের কৃষিযন্ত্রে কমছে ব্যয়, বাড়ছে উৎপাদন

শাহ্ আলম শাহী, নিজস্ব প্রতিবেদক, দিনাজপুর
| আপডেট : ১৫ মার্চ ২০১৯, ০৯:০১ | প্রকাশিত : ১৫ মার্চ ২০১৯, ০৮:৫৮

কোনো চালক ছাড়াই রিমোট কন্ট্রোলে চলা যন্ত্রের সাহায্যে জমিতে চাষাবাদ, ধান কর্তন, মাড়াই ও বস্তায় ভরার কাজ চলছে। বিশেষ করে ‘আনোয়ার এক্সেল পাওয়ার টিলার’ নামের রিমোট কন্ট্রোল পাওয়ার টিলারে সাধারণ পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টরের চেয়ে অতি দ্রুত ও ভালোভাবে চাষাবাদ হচ্ছে।

এ ধরনেরই নতুন নতুন কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের কৃষক ডা. আনোয়ার হোসেন।

এসব যন্ত্রে কৃষিকাজে যেমন কমছে আর্থিক, সময় ও শ্রমের অপচয়, তেমনি বাড়ছে ফসলের উৎপাদন ও দাম। ইতোমধ্যেই ব্যবহার করে উপকার পেয়েছেন অনেকে। ফলে সেগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এ অঞ্চলে। যন্ত্র ও এর কাজ দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও ছুটে আসছেন মানুষ।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নতুন নতুন কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবনে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নষ্ট বা ফেলে দেওয়া মেশিন কিংবা ভাঙড়ির দোকানে অব্যবহৃত লোহা-লক্কর আর যন্ত্র দিয়েই তৈরি করি এসব যন্ত্র। সহযোগিতা পেলে আরও অগ্রসর হতে পারবো।’

এলাকার কৃষক মতিউর রহমান বলেন, ‘পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টরের যন্ত্রাংশে তৈরি ডাবল গিয়ারবক্সের পাওয়ার টিলারটি রিমোট কন্ট্রোলে চলছে। সাধারণ পাওয়ার টিলারে এক একর জমিতে চাষাবাদ করতে ৬-৭ লিটার জ্বালানি তেল (ডিজেল) লাগে। সেখানে এ যন্ত্রটিতে এক একরে লাগছে ৩-৪ লিটার ডিজেল।  এমনই অসংখ্য নতুন নতুন কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন আনোয়ার হোসেন।’

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তৌহিদুল ইকবাল জানান, আনোয়ারের উদ্ভাবিত এসব কৃষিযন্ত্র নিয়ে ইতোমধ্যে মাঠ দিবসও অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিবিদ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও যন্ত্রগুলো দেখে এসেছেন।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম বলেন, ‘আমিও সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি। বেশ আশাবাদী আমি, দেশ ছেড়ে হয়তো একদিন বিদেশেও সাড়া ফেলবে যন্ত্রগুলো।’

(ঢাকাটাইমস/১৫মার্চ/এআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :