ভোলায় জুস খাইয়ে অচেতন করে ছাত্রীকে ধর্ষণ

ভোলা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৪৫

ভোলা সদর উপজেলায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে জুস খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শের আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শের আলী পেশায় ডাক বিভাগের রানার। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের গুপ্তমুন্সি গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থীকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্কুলছাত্রী বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় স্কুলছাত্রীর পরিবার।

স্কুলছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার আট বছর বয়সী মেয়ে ইলিশা ইউনিয়নের মুরাদ ছফিউল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রতিদিন সে বাড়ি থেকে পায়ে হেটে স্কুলে যায়। প্রতিদিনের মতো সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই এলাকার পোস্ট অফিসের রানার শের আলী তাকে জুস খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পোস্ট অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জুস খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে। পরে তার হুঁশ ফিরে এলে তাকে আবার স্কুলে পাঠিয়ে দেয়। এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ধর্ষক শের আলী। পরে বিকাল ৪টার দিকে স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থী বাড়িতে যাওয়ার সময় পথের মধ্যে কয়েকবার মাথাঘুরে পড়ে যায়। পরে সহপাঠীরা তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। ঘটনা সম্পর্কে বাড়িতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থী ভয়ে কাউকে কিছুই বলেনি। কিন্তু তার গায়ের জামা খুলে দেখা যায় শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন। পরে তাকে অনেকবার জিজ্ঞেস করলে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।

শিক্ষার্থীর বাবা আরো জানান, মঙ্গলবার সকালে মেয়ের অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নেয়ার সময় শেরে আলীর পরিবারের লোকজন তাদেরকে হাসপাতালে যেতে বাধা দেন। তারা বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংশা করে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা করানোর কথা বলেন। পরে তারা স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নিয়ে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষ হলে থানায় মামলা করবেন বলেও জানান ধর্ষিতার বাবা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শের আলীর ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ভোলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেদী হাসান ভুইয়া জানান, ধর্ষিতার গায়ে আচড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আমরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি।

সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র স্টাফ নার্স রেখা আক্তার বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে ধর্ষিতার বুকে আচড়ের চিহ্ন ও গোপনাঙ্গে ধর্ষণের আলামত পেয়েছি।

ঢাকাটাইমস/২১জানুয়ারি/কেএম/ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :