‘দেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায় উগ্র মৌলবাদীরা’

ফরিদপুর প্রতিনিধি,ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩২ | প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৪৪

ফরিদপুরের সালথায় গুজব ছড়িয়ে সহিংসতা সৃষ্টি করে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অফিসে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের স্থল পরিদর্শন করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।বৃহস্পতিবার দুপুরে সালথা উপজেলা পরিষদের এসে পৌঁছে তারা।

এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল ফারুক হোসেন এমপি, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি, আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার দীলিপ বড়ুয়া।

এছাড়াও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার, পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অফিস, সরকারি বাসভবন ঘুরে দেখেন।

এর আগে উপজেলা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করে দলটি।

ওই সমাবেশে বক্তরা হেফাজতে ইসলামকে এদেশের নব্য রাজাকার উল্লেখ করে বলেন,সালথায় তাণ্ডবের ঘটনায় হেফাজতের সাথে তাদের দোসর বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা জড়িত। এ দেশকে পাকিস্তান-আফগানিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা এ হামলা চালিয়েছে।

সালথা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রথান অতিথি কর্নেল ফারুক হোসেন বলেন,‘এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে। আমরা প্রশাসনকে বলেছি, ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের চিহ্নিত করুন। কোন নিরীহ কাউকে যেনো হয়রানি করা না হয়। আর জড়িতদের মধ্যে যদি আওয়ামী লীগের কেউও থাকে, তাকেও যেনো রেহাই দেয়া না হয়।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেন,‘স্থানীয় একজন হেফাজত নেতা (মাওলানা আকরাম হোসেন) তিনি হেফাজত ও বিএনপি-জামায়াতের স্বার্থ রক্ষার জন্যই এ হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই মামলার মধ্যে রাষ্ট্রে ক্ষতি হয়েছে। আমরা দেশের সকল স্বাধীনতাযুদ্ধে স্ব-পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। এখনই তাদের বিষ দাত ভেঙে না দিলে চড়া মূল্য দিতে হবে।’

আওয়ামী লীগের কেন্দীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘যারা দেশের উন্নয়ন আর অগ্রগতি বিশ্বাস করে না তাড়াই এই হামলা চালিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে যারা এই হামলা চালিয়েছেন এবং নেপথ্যে যারা ছিল তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

আওয়ামী লীগ ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন,‘যারা দেশকে অশান্ত করতে চাইছে তারা স্বাধীনতাবিরোধী, মামুনুল হকদের পরিবার অতীতে দেশ স্বাধীনের বিরোধিতা করেছিল।’

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান বলেন, ‘সহিংসতা ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৮৮ জনের না উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো তিন-চার হাজারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘ওই মামলায় এখন পর্যন্ত আমরা ২৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি, আশা করছি অন্যদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনতে পারব।’

(ঢাকাটাইমস/৮এপ্রিল/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :