মাত্র ছয় দেশের আছে পারমাণবিক সাবমেরিন, কোন দেশে কয়টি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
| আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৫৭ | প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩৭

নিউক্লিয়ার সাবমেরিন বা পারমাণবিক শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ এক ধরনের সাবমেরিন যেগুলো পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে চলে। এগুলোতে থাকে পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করার জন্য রিএক্টর যাতে উৎপন্ন হয় বিপুল পরিমাণ শক্তি। মোটামুটি একটা বড় আকারের সাবমেরিনে যে পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তা দিয়ে একটা আধুনিক শহর অনায়াসে চলতে পারে।

বিশ্বে মাত্র ছয়টি দেশের এই অত্যাধুনিক সাবমেরিন রয়েছে। সবচেয়ে বেশি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে এবং সবচেয়ে কম রয়েছে ভারতের।

ছয় দেশের কোন দেশের কয়টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এছাড়াও তাদের রয়েছে অ-পারমাণবিক সাবমেরিনও। সেখানে বলা হয়েছে-

১. যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৫২টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ১৪টি।

২. রাশিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ১৭টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৪১টি।

৩. যুক্তরাজ্যের পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৮টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৪টি।

৪. ফ্রান্সের পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৭টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৪টি।

৫. চীনের পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৬টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ৫৪টি।

৬. ভারতের পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ১টি এবং অ-পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ১৫টি।

অনেকেই মনে করেন নিউক্লিয়ার সাবমেরিন মানেই নিউক্লিয়ার বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন কিন্তু আসলে তা নয়। নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে পারমাণবিক বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্র থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। মূলত এর চালিকাশক্তি হিসেবে পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহৃত হয় তাই এর নাম পারমাণবিক সাবমেরিন ।

একটি বিশাল আকারের পারমাণবিক সাবমেরিন সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কোনো জ্বালানি ছাড়াই চলতে পারে। কারণ একই পারমাণবিক জ্বালানি বারবার পরিশোধন এবং ব্যবহার করা যায়।

পারমাণবিক সাবমেরিন আকারে সাধারণত ডিজেল চালিত সাবমেরিন থেকে অনেক বড় হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাবমেরিন হল রাশিয়ার টাইফুন ক্লাস সাবমেরিন। একটা সাবমেরিন প্রায় ২০টি আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। একটি সাবমেরিন একাই মিসাইল হামলা চালিয়ে প্রায় ২০০ শহর গুড়িয়ে দিতে পারে।

ঢাকাটাইমস/১৭সেপ্টেম্বর/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :