নিপসমে অসংক্রামক রোগ বিভাগের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১০ আগস্ট ২০২২, ১৯:৩১

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশাল মেডিসিনের (নিপসম) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রমের পরিচিতি সভা ও অসংক্রামক রোগ বিভাগের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নিপসমের মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিভাগের উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণ করা হয়।

উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ হওয়ায় সারাবিশ্বে পাবলিক হেলথের গুরুত্ব বেড়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল গঠন করেন। যদিও এ সময় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে মাইন অপসারণের দরকার ছিল। বঙ্গবন্ধু অনুভব করেন চিকিৎসা সেবা মাইন অপসারণের চেয়েও জরুরি।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে স্কুল কলেজে ভাঙাচুড়া থাকায় পড়াশোনা করার জায়গা ছিল না। বঙ্গবন্ধুর সদূরপ্রসারী চিন্তার কথা উল্লেখ করলে বলা যায়, আজকে আমরা মেডিকেল গবেষণার কথা বলছি । এটিও তার দেশ শাসনের সময়ে শুরু করেন। তিনি তখন এই নিপসম প্রতিষ্ঠা করেন। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য নিটোর বা তৎকালীন পঙ্গু হাসপাতালে প্রখ্যাত অর্থপেডিক্স সার্জন গ্রাস সাহেবকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। তার চিকিৎসা সেবা পেয়ে অনেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।

মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আইসিডিডিআরবি মতলবের কর্মসূচি ওআরএসের মাধ্যমে ওইসময় লাইফ এক্সপেক্টেন্সি বাড়িয়ে দেয়। ওই সময় লোক বেশি মৃত্যুবরণ করত। তাহলে ওআরসের ব্যবহার , আইপিএসের স্যালাইন, এন্টিডেমিন ভ্যাকসিন বঙ্গবন্ধুর সময় তৈরি হয়। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পায়।

বিএসএমএমইউর উপাচার্য বলেন, আমাদের সারা বাংলাদেশে চারটি হেলথ কমপ্লেক্স ছিল। প্রত্যেক বিভাগে একটি করে ছিল। চারটি বিভাগে চারটি ছিল। বঙ্গবন্ধু ক্ষমতায় এসে প্রত্যেক থানায় একটি করে হেলথ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত কমিনিউটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রও বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধু এতটা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি ছিলেন, যে বিষয়ে যে অভিজ্ঞ তাকে সেই বিষয়ে দায়িত্ব প্রদান করেন। প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ কুদ-রাত- খুদাকে দিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। একজন চিকিৎসককে স্বাস্থ্যসচিবের চেয়ারে বসান। যার ফলে বঙ্গবন্ধুর সময় সমস্তখাতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাইজিদ খুরশীদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএসএমএমইউর প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশাল মেডিসিন অনুষদের ডিন সৈয়দ শরীফুল ইসলাম।

(ঢাকাটাইমস/১০আগস্ট/এএ/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :