চিফ প্রসিকিউটর

সাগর-রুনি হত্যায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির যোগসূত্র পাওয়ার দাবি

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৩
অ- অ+

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

রবিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এ তথ্য জানান।

আমিনুল ইসলাম বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে অন্য একটি সংস্থা।

তার ভাষ্য, কোনো মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তদন্ত সংস্থা কখনো কখনো অন্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য বা সূত্র পেতে পারে। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যার বিষয়েও একটি সূত্র পাওয়া গেছে। তবে এর নাম-পরিচয় এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নজরদারি রয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাগর-রুনি হত্যার ঘটনার সঙ্গে তার যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

তবে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সম্পর্কের ধরন বা কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে এমন যোগসূত্র পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি চিফ প্রসিকিউটর।

তদন্ত শেষে তথ্য দেওয়া হবে

আমিনুল ইসলাম বলেন, আরও তদন্তের পর নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্তের পর নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তা দিয়ে সহায়তা করা হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হবে না বিচার

সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, এটি একটি সাধারণ হত্যা মামলা। তাই সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই এর বিচার হবে।

অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই। মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট সাধারণ ফৌজদারি আদালতেই হবে বলে জানান তিনি।

২০১২ সালে খুন হন সাগর-রুনি

সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই, মাংস নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথ চ্যাম্পিয়ন
সাইপ্রাসে উপকূলে ২৭০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবি
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা