বন্যায় সিংড়ার-তেমুক সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

নাটোর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৫ জুলাই ২০২০, ১৭:৫৬

বন্যায় নাটোরের সিংড়া-তেমুক সড়কের দুটি পয়েন্ট ভেঙে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে সড়কের আরও অন্তত ছয়টি জায়গা। এদিকে বাড়ি-ঘর রক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা করছে সাধারণ জনগণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারি বর্ষন ও বন্যায় গত এক সপ্তাহে সড়কটির কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অথচ এলজিইডিকে সড়কটি রক্ষার জন্য বারবার বলার পরও তারা কর্ণপাত করেনি।

এলাকাবাসী জানায়, সম্প্রতি সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তাদের এই সড়কের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়। কিন্তু বন্যায় পানির তোড়ে সড়কের দুটি স্থানে অন্তত ১০ মিটার করে ভেঙে গেছে এবং ক্রমেই সে ভাঙন বাড়ছে। এছাড়াও সড়কের ভাগনাগরকান্দি এলাকায় অন্তত ছয়টি পয়েন্ট ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে। তাই তারা সড়ক ও বাড়ি-ঘর রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করছে।

তারা আরও জানায়, রাস্তা নির্মাণের সময় নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ইট, মাটি ও রাবিশ মিশ্রিত খোয়া ব্যবহারসহ রাস্তাটি নিচু করায় কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল এলাকাবাসী। তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

উপজেলার তাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন জানান, এই সড়ক ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় ইউনিয়নের চরতাজপুর, তাজপুর, ভাদুরীপাড়া, চকনওগা, কমরপুর, বজরাহার, রাখালগাছা গ্রামের প্রায় ৫০০০ লোক ঝুঁকিতে রয়েছে। এলাকাবাসীকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নির্দেশে সারারাত কাজ করেও রাস্তা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া এই পানি নাগরনদে উপচে পড়ে চৌগ্রাম, তাজপুর, ইটালী, ডাহিয়াসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের লোক ঝুঁকিতে পরবে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়ে সিংড়া উপজেলা প্রকৌশলী হাসান জানান ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানু বলেন, ‘অনেক আগেই এলজিইডিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল। এছাড়াও এই রাস্তা রক্ষায় আমি নিজে উপজেলা পরিষদ খেকে অর্থ বরাদ্দ দিতে চেয়েছি। কিন্তু এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

ঢাকাটাইমস/১৫জুলাই/পিএল

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ এর সর্বশেষ

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :