জোর করে চুমু-অশ্লীল ছবি পাঠানো, মিকা মানেই বিতর্ক

বিনোদন ডেস্ক
  প্রকাশিত : ২৬ জুলাই ২০২০, ১২:৩৮
অ- অ+

গায়ক হিসেবে বলিউডে বেশ ভালোই নাম করেছেন মিকা সিং। তবে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ে না তার। কখনও রাখি সাওয়ান্তকে জোর করে চুমু, কখনও নাবালিকাকে অশ্লীল ছবি পাঠানো, আবার কখনও বা চিকিৎসককে সজোরে থাপ্পড়। বিতর্কের আরেক নামই যেন মিকা সিং।

মিকার কেরিয়ার শুরু হয় ২০০৬ সাল থেকে। ‘আপনা স্বপনা মানি মানি’ থেকে হালফিলে ‘সিম্বা’ ছবির ‘আঁখ মারে’- সবেতেই সুপারহিট। তার লাইভ অনুষ্ঠান মানেই প্রচুর লোক, শিসধ্বনি আর নাচ। পার্টি সংয়ের রাজা তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে বারে বারে এমন কিছু ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি যে, বারেবারেই পেজ থ্রি’র হেডলাইন দখল করেছে তার নাম।

নিজের জন্মদিনের পার্টিতে আরেক বিতর্কিত তারকা রাখি সাওয়ান্তকে আচমকাই জোর করে চুমু খেয়ে বসেন মিকা। তা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। রাখি তো রীতিমতো শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন মিকার বিরুদ্ধে। মিকা বলেছিলেন, রাখিকে নাকি তিনি ‘উচিত শিক্ষা’ দিয়েছিলেন।

ওই পার্টিতে বলিউডের ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মিকা। সে সময় রাখির বয়ফ্রেন্ড ছিলেন সংগীত পরিচালক আশিস শেরউড। আশিস আবার মিকার ভালো বন্ধু। পার্টি ভালোই চলছিল। আচমকাই রাখিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করেন মিকা।

মিকার কথায়, ‘রাখিকে আমি আমন্ত্রণই জানাইনি। আশিসের সঙ্গেই ও এসেছিল। পার্টিতে শুরু থেকেই ও আমার সঙ্গে একটু বেশি ফ্রেন্ডলি হতে চাইছিল। যদিও আমি বিশেষ পাত্তা দিচ্ছিলাম না। আমি সবাইকে বলেছিলাম আমাকে যেন কোনো ভাবেই মুখে কেক না মাখানো হয়। আমার অ্যালার্জি আছে।’

মিকা জানান, ‘সবাই সে কথা মানলেও রাখি মানেনি। ও আচমকাই আমার মুখে কেক মাখাতে শুরু করে। তাই ওকে শিক্ষা দিতেই চুমু খেয়েছিলাম।’ যদিও মিকার এই বয়ানে নিন্দায় ফেটে পড়েছিলেন নেটিজেনরা। ‘উচিত শিক্ষা’ দেয়ার অর্থ কি চুমু খাওয়া? প্রশ্ন তুলেছিলেন তারা।

এর পরেও মিকার হাবভাবে এতটুকু পরিবর্তন আসেনি। এ তো গেল একটি উদাহরণ। সালমান খানের মতো মিকার নামও জড়িয়েছে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায়। একটি অটোকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় অটোতে বসে থাকা যাত্রীরাও বেশ আহত হয়েছিলেন।

এছাড়া বলিউডে সুযোগ দেয়ার নাম করে দুবাইয়ের ১৭ বছরের এক নাবালিকার সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং অশ্লীল ছবি পাঠানোর অভিযোগও উঠেছিল মিকার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা গড়িয়েছিল পুলিশ পর্যন্ত। মিকার বিরুদ্ধে সেই মামলা আজও চলছে।

এখানেই শেষ নয়। মিকার জীবনে ঝামেলার তালিকা অনেকটাই লম্বা। তিনি যে বদরাগী, সে কথা তার ঘনিষ্ঠরাও একবাক্যে স্বীকার করে নেন। ২০১৫ সালে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এক চিকিৎসকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। হঠাৎই সেই চিকিৎসককে সপাটে চড় মেরে বসেন মিকা। অবৈধ ভাবে বিদেশি মুদ্রা বহনের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। এ জন্য ২০১৩ সালে তিনি মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।

১২ হাজার মার্কিন ডলার বহন করছিলেন মিকা। একসঙ্গে এত বিদেশি মুদ্রা বহন করার অনুমতি না থাকায় মিকা গ্রেপ্তার হন। যদিও আপাতভাবে মিকাকে দেখলে বোঝা দায়, তার এই ৪৩ বছরের জীবনে এত বিতর্ক। তার ফাঙ্কি স্টাইল আর পার্টি সং নিয়ে মিকা আছেন নিজের ছন্দেই।

ঢাকাটাইমস/২৬জুলাই/এএইচ

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের অন্যায় না করার শপথ করালেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ
হঠাৎ অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকু, সিসিইউতে ভর্তি
আওয়ামী সরকারের আমলে জ্বালানি খাতের দুর্নীতির মাশুল এখন দিচ্ছে জনগণ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পূবাইলে ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় রাখার দাবিতে দোয়া মাহফিল
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা