এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কে সুদান

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে সুদান। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সুদান রাজি হয়েছে বলে শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই সম্পর্কেরও মধ্যস্থতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা হামদকের সঙ্গে ফোনালাপে এই চুক্তি পাকা করেন।
ইসরায়েল ও সুদান চুক্তিতে রাজি হওয়ার পর হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল এবং সুদান শান্তি স্থাপন করতে রাজি হয়েছে। দুই দেশের জন্য এ এক অভাবনীয় চুক্তি। একে মধ্যপ্রাচ্যে ‘কোনো রক্তক্ষয় ছাড়াই শান্তির চুক্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।
এ নিয়ে গত দুই মাসের মধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে হাঁটা তৃতীয় আরব দেশ হচ্ছে সুদান। ট্রাম্প তার ঘোষণায় জানিয়েছেন, অন্তত আরও ৫ টি আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবও সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে।
সপ্তাহ খানেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সুদানের নাম বাদ দেয়ার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে দেশটিতে অর্থনৈতিক সাহায্য ও বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচন করেন তিনি। তখনই মনে করা হচ্ছিল যে, ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্কে যাওয়ার শর্তেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। সপ্তাহ না পেরোতেই সেই ধারণা সত্যি হলো।
ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্কের বিষয়টি 'পিঠে ছুরি মারার' শামিল বলে অভিহিত করেছে ফিলিস্তিন। তারা স্বাধীন ফিলিস্তিনের স্বপ্নকে অগ্রাহ্য করছেন বলেও অভিযোগ ফিলিস্তিনের।
ঢাকা টাইমস/২৪অক্টোবর/একে
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













