জাহাজ ভাঙা শিল্পে দেশের প্রথম ‘গ্রিন রিসাইকেলার’ পিএইচপি

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১৪:১৬ | প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১৪:১২

জার্মানির জাহাজ পরিবহন সংস্থা নেউ সিসছিফফার্ট তাদের একটি বড় জাহাজ (ভিএলওসি- ভেরি লার্জ ও্যর ক্যারিয়াস) বিক্রির জন্য গত আগস্টে জাহাজ ভাঙা ক্রেতা খুঁজছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জাহাজ ভিড়েছে বাংলাদেশের ইয়ার্ডে।

জাহাজটি কিনে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রথম গ্রিন রিসাইকেলার কোম্পানি পিএইচপি শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইলিং ইন্ডাস্ট্রিজ। চট্টগ্রামভিত্তিক এই কোম্পানি জার্মান কোম্পানির জাহাজ কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পিএইচপি জানিয়েছে, দুই লাখ ৫৮ হাজার টন ধারণক্ষমতার জেনিস এন (১৯৯৫ সালে নির্মিত) জাহাজটি অক্টোবরের শেষে তাদের ইয়ার্ডে ভিড়েছে। এটি টুকরা করার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জেনিস এন হলো এই বছরে পিএইচপির কেনা ভিএলওসি জাহাজগুলোর মধ্যে তৃতীয়। এর আগে নেউ তাদের জেনিস এম জাহাজটি সিঙ্গাপুরের মার্কেটে বিক্রি করেছিল।

গত মার্চে পিএইচপি কিনেছিল কিডো শিপিং প্যাসিফিক ওপাল। এর ধারণ ক্ষমতা দুই লাখ ৭৮ হাজার টন। এটিও নির্মিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। এটিও জেনিস এন এর মতো ভিএলওসি ক্যাটাগরির জাহাজ ছিল। পরে এটিকে ভিএলসিসিতে রূপান্তর করা হয়েছিল।

কিডো জানিয়েছিল, তারা ৩৭ হাজার ৩৯৯ এলডিটি জাহাজের প্রতি এলডিটিতে ৩৯৪ ডলার করে পেয়েছে। যার মোট মূল্য দাঁড়ায় ১৪.৭ মিলিয়ন ডলার (১২৫ কোটি ৩০ হাজার টাকা প্রায়)।

পিএইচপির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের শুরুতে গ্রিন রিসাইক্লিং এনকে কর্তৃক সমর্থন পাওয়ার পর এই শিল্পের মালিকরা এ ব্যাপারে আরও আগ্রহী হয়ে উঠছেন এবং আরও বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।

যারা গ্রিন রিসাইক্লিংয়ের দিকে ঝুঁকছেন তাদের মধ্যে অন্যতম কোম্পানি হলো ইস্টার্ন প্যাসিফিক শিপিং। তারা জুনে তাদের দুই লাখ ৬৬ হাজার টন ধারণক্ষমতার হান্ডান স্টিল (১৯৯৪ সালে নির্মিত) জাহাজটি গ্রিন রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল।

সিঙ্গাপুরভিত্তিকভিত্তিক শিপ মালিক কোনো চুক্তি শেষ করার আগে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সুবিধাগুলিতে কঠোর তদন্ত পরিচালনা করার জন্য সুপরিচিত। এটি এই শিল্পের খ্যাতি আরও বাড়িয়ে তুলেছে বলে জানান জহিরুল ইসলাম।

হংকং সম্মেলনে যাওয়ার জন্য ছয় মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে সুবিধা বাড়ায় পিএইচপি।

সৈকতের সুবিধা একটি বিস্তৃত কংক্রিটের মেঝের মতো। যেখানে ক্রেনগুলো একটি জাহাজকে ভেঙে ফেলার জন্য এবং একই সঙ্গে আন্তঃদেশীয় অঞ্চলকে দূষণ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

(ঢাকাটাইমস/২৪নভেম্বর/একে/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :