রংপুরে চার খুন: ডোপটেস্টে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের শরীরে ইয়াবার অস্তিত্ব মেলেনি

রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুনের মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ইউরিনের নমুনায় ইয়াবা সেবনের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ঘটনার ১০ দিন পর তাদের ইউরিনের নমুনা সংগ্রহ করে ডোপটেস্ট করা হয়েছিল।
আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। গতকাল রবিবার বিকালে কারাগার থেকে দুই আসামির ইউরিনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পরীক্ষার পর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ইউরিনে ইয়াবা সেবনের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ইয়াবা বা অ্যামফিটামিন সেবনের চিহ্ন রক্ত, লালা ও ইউরিনে সাধারণত তিন দিন পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তবে চুলের নমুনায় এর অস্তিত্ব ৯০ দিন পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন
এদিকে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থা।
গত ২১ আগস্ট রংপুর নগরের ঘোড়ার মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে খুন হন জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী।
এ ঘটনায় পুলিশ সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। চার খুনের ঘটনাটি নিয়ে রংপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































