জাতীয় পশু বাঘ বলে ভারতে সন্ত্রাস বেশি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:২৬

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতে জাতীয় পশু হচ্ছে বাঘ। কিন্তু বাঘকে জাতীয় পশু করায় দেশটিতে ক্রমাগত সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধির দাবি করেছেন বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী নামে এক ধর্মগুরু। বাঘের পরিবর্তে গুরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হলে দেশে সন্ত্রাসবাদীর জন্ম হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী হলেন কর্ণাটকের উদুপির পেজাওয়ার মঠের প্রধান। তিনি বলেন, ‘জাতীয় পশু হিসেবে বাঘকে ঘোষণা দেয়ার কারণেই দেশে সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি বাঘের পরিবর্তে গুরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হয়, তাহলে দেশে শান্তি আসবে। কারণ গরু সব ভারতীয় নাগরিকের মা। তাকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হলে দেশে কোনো সন্ত্রাসবাদীর জন্ম হবে না।’

এছাড়া গরুর কসাইখানা সম্পূর্ণ বন্ধ করা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন চালু করারও দাবি জানান তিনি।

গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার পাশাপাশি গঙ্গা নদী বিশুদ্ধকরণের দাবি করেন বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী। তিনি বলেন, ‘একসময় গঙ্গা আমাদের পবিত্র করত। দুর্ভাগ্যের বিষয় তাকে আমরা এতটাই দূষিত করেছি যে আজকে সেই গঙ্গাকেই শুদ্ধ করতে হচ্ছে।’

সম্প্রতি দেশটির উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ মামলার রায় দিয়েছে সুপ্রীম কোর্ট। রায়ে মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণের জন্য বলা হয়। মৃত্যুর পূর্বে রামমন্দির দেখার আশা প্রকাশ করেন বিশে^সাতীর্থ স্বামী। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া দেখে যেতে চাই। দেশও রাম রাজ্যে পরিণত হোক।’

ঢাকাটাইমস/২২নভেম্বর/আরআর

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :