মিলিটারি ট্রেইনিংয়ে সেরা হলেন টটেনহ্যামের সন

ফুটবল মাঠে হাসিমুখে তার গোলক্ষুধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ফুটবল অনুরাগীরা। কিন্তু দেশের প্রয়োজনে সীমান্তে রাইফেল কাঁধে যুদ্ধের জন্যও যে তিনি সমান প্রস্তুত, বুঝিয়ে দিলেন হিউং মিন সন। সেরা পারফর্ম্যান্সের পুরস্কার নিয়ে সম্প্রতি তিন সপ্তাহের মিলিটারি ট্রেনিং শেষ করলেন টটেনহ্যাম স্ট্রাইকার।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে সনের ছবি সহ তার কীর্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের সকল সামর্থ পুরুষদের অন্ততপক্ষে দু’বছরের মিলিটারি ট্রেনিং বাধ্যতামূলক দক্ষিণ কোরিয়ায়। রাষ্ট্রের সেই নিয়ম মেনেই প্রাথমিকভাবে তিনমাসের ট্রেনিং সম্পূর্ণ করলেন টটেনহ্যাম স্ট্রাইকার। নিয়ম মোতাবেক আগামী ৩৪ মাসের মধ্যে আরও ৫৪৪ ঘন্টা কমিউনিটি পরিষেবা প্রদান করতে হবে সনকে।
উল্লেখ্য, করোনার জেরে লকডাউনে বিশ্বব্যাপী অ্যাথলিটরা যখন ব্যস্ত গৃহবন্দি সময় কাটাতে। তখন মার্চে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে প্রথমে নিজেকে ১৪দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখেন সন। এরপর পরিকল্পনা মোতাবেক মিলিটারি ট্রেনিংয়ে অংশ নেন ২০১৮ এশিয়াডে দেশের সোনাজয়ী ফুটবল দলের সদস্য। রাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু তিনি এশিয়াডে দেশের হয়ে স্বর্নপদকজয়ী, তাই চাইলে মিলিটারি ট্রেনিংয়ে অংশ নাই নিতে পারতেন সন। কিন্তু একবার যেহেতু তিনি মনস্থির করেছেন সেহেতু ইচ্ছেপূরণের জন্য এই সময়টাকে বেছে নেন টটেনহ্যাম স্ট্রাইকার।
শুধু অংশগ্রহণ করাই নয়, দেশের সাদার্ন আইল্যান্ডে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই মিলিটারি ট্রেনিংয়ে নিজেকে প্রমান করেছেন সন। সেটা তাঁর সেরা পারফরম্যান্সের সার্টিফিকেটই প্রমাণ। মিলিটারি ট্রেনিংয়ে প্রত্যেকটি কোর্সে সকল অংশগ্রহণকারীদের তীক্ষ্ণতার সঙ্গে নজরে রাখা হয়। আর মিলিটারি ট্রেনিংয়ে অফিসারদের মতামত অনুযায়ী, সন প্রত্যেকটি কোর্স অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে সম্পূর্ণ করেছেন।
ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণকারী ১৫৭ জনের মধ্যে সনের পারফরম্যান্সকেই সেরার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে যোনহ্যাপ সংবাদ সংস্থা। ফলস্বরূপ দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় দলের ফুটবলারকে ‘পিলসাং’ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে বলেও খবরে প্রকাশ।
(ঢাকাটাইমস/০৯ মে/এআইএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































