ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০২ মার্চ ২০২১, ১৬:৪৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তায় বালু ফেলার জের ধরে একটি পরিবারের লোকজনের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে জেলা সদরের পৌর এলাকার মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন পীযুষ মল্লিক(৪৮), তার স্ত্রী রিতা রানি মল্লিক(৩৭), ছেলে প্রাঞ্জন মল্লিক(৯) ও বাড়ির কাজের বুয়া পুষ্প রানী(২৭)।

স্থানীয় লোকজন ও আহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে ট্রাকে করে বালু এনে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুসলিম মিয়ার বাড়ির সামনের পুকুরের উত্তর এবং বাড়ির সামনের রাস্তার দক্ষিণ দিকে বালু রাখেন পীযুষ মল্লিক। এ সময় মুসলিম মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া ট্রাক চালককে বালু রাখতে বাধা দেন।

কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পীযুষকে মারধর করেন সুমন। এ ঘটনার পর পীযুষ ভয়ে বাড়ি চলে যান। ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর মুসলিম মিয়ার ছেলে আল মামুন, সুমন মিয়া, তাদের আত্মীয় সদর উপজেলার নাটাই গ্রামের কামাল মিয়াসহ ২০-২৫ জনের একটি দল পীযুষের ভাড়া বাসায় গিয়ে জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন।

দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা পীযুষকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। ঘরে থাকা কাজের বুয়া পুষ্পকে রড দিয়ে মাথায় ও ডান হাতে আঘাত করেন। পীযুষকে বাঁচাতে স্ত্রী রিতা রানী এগিয়ে এলে তাকেও কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন, তার ছেলে প্রাঞ্জন মল্লিককেও মারধর করেন তারা। এ সময় ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়।

বাড়ির তৃতীয় তলায় বসবাসকারী আইনজীবী মো. আজিজ জানান, ফটকে মানুষের হৈ-চৈয়ের শব্দ শুনে নিচে গিয়ে পীযুষ ও তার স্ত্রীকে মারধর করতে দেখি। তাদের রক্ষায় এগিয়ে গেলে আমার ওপরও কিল-ঘুষি পড়েছে। তারা তাদের অনেক মারধর করেছে।

পিযুষ মল্লিক বলেন, রাস্তায় বালু রাখায় সুমন আমাকে মারধর করেন। পরে আমি বাড়ি চলে আসি। এরপর তারা বাড়িতে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। রাতে আমার স্ত্রী রিতা রানি মল্লিক বাদী হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

মুসলিম মিয়ার আরেক ছেলে মামুন মিয়া বলেন, সন্ধ্যায় বালু ফেলার বিষয় নিয়ে আমার ভাই সুমনের সঙ্গে পীযুষের কথা কাটাকাটি হয়। সুমনকে মারতে এগিয়ে আসেন পিযুষ। সুমন রেগে পিযুষকে কয়েকটি চর থাপ্পর মেরেছে। বিষয়টি জিজ্ঞেস করতে আমি সঙ্গে দুই-তিনজনকে নিয়ে পিযুষের বাড়িতে যাই। সেখানে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ এসেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(ঢাকাটাইমস/২মার্চ/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :