স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৫৬ | প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৩৮

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে নেমেছে র‌্যাব। সরকার ঘোষিত ১৮ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও সপ্তাহব্যাপী লকডাউন মানাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনে মাঠে কাজ করছে পুলিশের এই এলিট ফোর্সটি।

করোনার সংক্রমণ সামাল দিতে আজ সোমবার থেকে সাত দিন গণপরিবহন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গতকাল এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিলে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। মহামারী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গত ২৯ মার্চ যে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছিল, তার আলোকে এসব নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আজ থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের কবলে সারাদেশ। লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবং জনমানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সকাল থেকে মাঠে নেমেছে র‌্যাব। করোনা মোকাবিলায় মাস্ক পরা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক ও হ্যান্ড-স্যানিটাইজার বিতরণ করছে এলিট ফোর্সটি।

সোমবার সকাল থেকে রাজধানীতে যারা মাস্ক পরছে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে র‌্যাব। এ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

তিনি বলেন, আজ থেকে র‌্যবের পক্ষ থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পালনের জন্য আজ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া করোনা সংক্রমণ রোধে সাধারণ মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক ও হ্যান্ড-স্যানিটাইজার বিতরণ করবে র‍্যাব।’

পলাশ কুমার বসু বলেন, ‘লকডাউনের সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে না পারে সে জন্য আমরা মাঠে থাকব। কোনো অসাধু ব্যক্তি বা চক্র এ পরিস্থিতিকে পুঁজি করে যেন কোনো ধরনের অবৈধ কাজ করতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ রোধে সচেতনতার জন্য র‍্যাব লিফলেট তৈরি করেছে। র‍্যাবের টহল দল সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ ও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট বিতরণ করবে। এছাড়াও সরকার যে নির্দেশনা দেবে, সেই সকল নির্দেশনা আমার পালন করব।’

এছাড়াও রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে তাদের যেসব পেট্রোল ও টহল টিম থাকবে তারাই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানান এলিট ফোর্সের এই কমান্ডার।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, লকডাউনে যারা বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করছে তাদের সচেতন করা হচ্ছে; যাতে তারা বাইরে না আসে। মূলত জরিমানা করাই র‍্যাবের উদ্দেশ্য নয়। র‍্যাবের উদ্দেশ্য করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। ঢাকার পাঁচটি ব্যাটালিয়ন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। এছাড়া দেশের দেশের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে। বিশেষ করে সংক্রমণ ঠেকানোর পাশাপাশি ভেজালবিরোধী ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তারা কাজ করছে।

ঢাকাটাইমস/৫এপ্রিল/আরকে/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :