ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৪ | প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১২

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যত দ্রুত সম্ভব আইনি ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের ই-কমার্স বিষয়ক জাতীয় কমিটি।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক শেষে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ডিজিটাল ই-কমার্সের প্রধান মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. হাফিজুর রহমান।

ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জ ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ধামাকা, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।

সভা শেষে হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সভায় ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকাসহ বিভিন্ন ই-কমার্সের বিষয় উঠে এসেছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু ইতিমধ্যে আইন অমান্য করেছে, সুতরাং মন্ত্রণালয় সরাসরি কোনো দায়িত্ব না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রেফার করে দেওয়া, তারা যাতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এটা হলো কমিটির সুপারিশ।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি ইস্যুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আর সময় নিতে চায় না। এ বিষয়ে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হবে।’

সর্বসম্মত পর্যালোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব।

হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, আরজেএসসি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ই-ক্যাব প্রতিনিধিসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত ব্যবসাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ইভ্যালিসহ ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে থার্ড পার্টি অডিটর নিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানতে আলাদা নিরীক্ষা করার সুপারিশ জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়ে ইভ্যালি। গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ ৪০৩ কোটি টাকা। আর প্রতিষ্ঠানটির চলতি সম্পদের পরিমাণ মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। ৩৩৮ কোটি টাকাই কোম্পানির কাছে নেই।

অন্যদিকে গ্রাহকের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের দায়ে সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছে ই-অরেঞ্জের মালিকপক্ষ। অন্যদিকে গ্রাহকরা তাদের টাকার জন্য ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। ই-অরেঞ্জের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ায় গ্রাহকের একটি বড় অংশ দুষছে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্ত্তুজাকে।

তালিকায় থাকা অন্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ। তাদের কাছেও কোটি কোটি টাকা আটকে আছে গ্রাহকের।

(ঢাকাটাইমস/১৪সেপ্টেম্বর/কারই/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :