আনোয়ারা সৈয়দ হকের আত্মজীবনী ও স্মৃতিগদ্য

ফারুক সুমন
| আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৫ | প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫৩
আনোয়ারা সৈয়দ হক (জন্ম ৫ নভেম্বর, ১৯৪০) প্রসঙ্গে লিখতে গেলে অবধারিতভাবে সৈয়দ শামসুল হকের নাম এসে যায়। সমসময়ে বাংলা সাহিত্যকে বিচিত্রপথে বাহিত করার ক্ষেত্রে এই লেখক দম্পতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সন্দেহ নেই, সাহিত্যসাধনায় তাঁদের যূথবদ্ধ নিমগ্ন প্রয়াস আমাদের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত। তবে সৈয়দ হকের দ্যুতিময় লেখকপরিচয়ের পাশে স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হকের সাহিত্যবৈভবও স্বতন্ত্র শিল্পসোন্দর্যে দীপ্যমান। তিনি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য, অনুবাদ, স্মৃতিকথা ও ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদিসহ নানা শিল্পাঙ্গিকে কাজ করেছেন। শৈশব-কৈশোরে তাঁর শিল্পসত্তার উন্মেষ ঘটে। জীবনের নানা স্মৃতি-অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনসত্তাকে শানিত করেছে বৈকি। যশোর জেলার চুড়িপট্টি গ্রামে জন্ম নেওয়া আনোয়ারা সৈয়দ হকের বেড়ে ওঠা মোটেও মসৃণ ছিল না। তাঁর আত্মজীবনী ও স্মৃতিগদ্যগ্রন্থ ‘নরক ও ফুলের কাহিনী’ কিংবা ‘অবরুদ্ধ’ কিংবা শীর্ষক গ্রন্থপাঠে সে-সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। মুসলিম পরিবারের সন্তান হওয়ায় নারী হিসেবে তাঁকেও তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হয়েছে।
তবে সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে শেষপর্যন্ত ‘মঞ্জুলিকা' হয়ে ওঠেন বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান লেখক, আমাদের আনোয়ারা সৈয়দ হক। তাঁর লেখা আত্মজীবনী 'নরক ও ফুলের কাহিনী' গ্রন্থে শৈশব-কৈশোরের একান্ত ব্যক্তিগত কথাও লিখতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। ছোট্টবেলার বৈরী সময়কে তিনি নির্দেশ করেছেন এভাবে-
‘জন্মের আগে যদি বক্তব্য থাকত তাহলে ঈশ্বরের কাছে নতজানু হয়ে প্রার্থনা করতাম যে এরকম একটি সংসারে, এমন একটি সময়ে এবং এরকম একটি যুগে তিনি আমাকে জন্ম না দেন। কিন্তু আমার সে সুযোগ ছিল না। পৃথিবীর এমন একটি অবহেলিত জনপদে, এরকম একটি শঙ্কার সময় এরকম একটি বিশৃঙ্খল সময়ই সংসারে পাঠাবার আগে ঈশ্বর আমাকে কোনো লাল বিপদসংকেত দেননি।'
বাস্তবজীবনের অভিঘাতে আনোয়ারা সৈয়দ হক থেমে যাননি। বরং তাঁর সাহিত্যের আখ্যান ও চরিত্রে সেসবের প্রতিফলন চোখে পড়ে। গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ কিংবা শিশুতোষ লেখায় তার প্রমাণ স্পষ্ট। শৈশবে পরিবার ও সমাজের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি স্বাধীনভাবে বাঁচতে চেয়েছেন। সবসময় খাঁচা থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখতেন। নিজ পরিবারে যে দুঃসহ অচলায়তন তৈরি হয়েছিল, তিনি সেটা ভাঙতে চেয়েছেন। ফলে যশোর জেলার মোহনগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্কুল ও কলেজে অধ্যয়ন শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির মধ্য দিয়ে তিনি যেন স্বাধীনতার সুখ পেয়েছেন। আত্মমুক্তির প্রত্যাশায় প্রিয় অনেক কিছু তাঁকে ছেড়ে আসতে হয়েছে। মুকুল নামের সেই ছেলেটি, যে কি না মঞ্জুকে ভালোবেসে একটি খাতা উপহার দিয়েছিল। খাতার ওপর লেখা ছিল ‘আনোয়ারা বেগম চৌধুরী'। এই প্রসঙ্গে ‘নরক ও ফুলের কাহিনী' গ্রন্থের অন্যত্র তিনি লিখেছেন, ‘বাড়ি ছাড়ার স্বপ্ন আমার ছোটবেলা থেকে, যে স্বপ্নের বাস্তবরূপ দেওয়ার জন্য মুকুলকে আমার জীবন থেকে হটিয়ে দিয়েছি। দুঃখ হয়েছে তবু হটিয়ে দিয়েছি।'
এভাবে তিনি সহপাঠী ‘ভোলা' ও খেলার সাথী ‘বেলী'কে ছেড়ে এসেছেন। সাতচল্লিশে দেশভাগ ও হিন্দু-মুসলমানের রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার ফলে এদেশের হিন্দুদের অনেকেই জন্মভিটা ছেড়ে গিয়েছিলেন। আনোয়ারা সৈয়দ হকের কোমল মনে এসব ঘটনা গভীর ক্ষত তৈরি করে। পরবর্তীসময়ে এগুলো তাঁর লেখকসত্তায় গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। গৃহশিক্ষকের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথাও তিনি তাঁর আত্মজীবনীতে অকপটে লিখেছেন। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিপ্লব হয়। তখন আনোয়ারা সৈয়দের পূর্বপুরুষ বিহারের শাশারামপুর থেকে পালিয়ে এসে যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার চুড়িপট্টি গ্রামে এসে আশ্রয় নেয়। চুড়িপট্টি বলার কারণ, এখানে চুড়ির কারখানা ছিল। এটাই ছিল এখানকার মানুষের জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন। অধিকাংশ লোক লেখাপড়ায় অনগ্রসর ছিল বিধায় তাদের আচার-আচরণও ছিল নিম্নমানের। এমন একটি বদ্ধ সমাজে আনোয়ারা সৈয়দ হকের শৈশব-কৈশোর কেটেছে। ফলে চুড়িপট্টির নিস্তরঙ্গ জীবন পেছনে ফেলে ঢাকায় যাওয়ার অনুভূতি নিশ্চয় তাঁর কাছে আত্মমুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। তাঁর স্মৃতিগদ্যে এই সময়ের অনুভূতি আভাসিত হয় এভাবে
‘আমি বাড়ি ছাড়ছি আজ।
পড়তে যাচ্ছি ঢাকায়।
...আজ সকাল থেকে আমার প্রাণের স্বাধীনতার ঢোল দমদম করে আওয়াজ তুলছে, আমি আজ বিকেল থেকেই চুড়িপট্টির এই বদ্ধ, পচা, গন্ধ ওঠা পরিবেশের বাইরে পা রাখছি, আমি ডাক্তারি পড়তে যাচ্ছি ঢাকায়, আমি বাবার রক্তচক্ষুর আড়ালে চলে যাচ্ছি, আমি গণ্ডিবদ্ধ শিকল ছিঁড়ে ফেলছি, আমি জীবনের শ্যাওলা দুহাতে সরিয়ে দিয়ে বেগবান স্রোতের ভেতরে নিমজ্জিত করছি। আমি ঢাকা যাচ্ছি।'
আনোয়ারা সৈয়দ হকের ঐকান্তিক ইচ্ছা, তিনি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করবেন। কারণ ইতোমধ্যে সাহিত্যপথে তাঁর সক্রিয় পদচারণা শুরু হয়েছে। ১৯৫৪ সালে ‘দৈনিক সংবাদ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর লেখা প্রথম গল্প ‘পতিবর্তন'। এছাড়া দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার কচিকাঁচার আসরে তিনি পুরোদমে লিখে চলেছেন শিশুতোষ লেখা। তবে তাঁর ইংরেজি সাহিত্যে পড়বার ইচ্ছা পূরণ হয়নি। পিতার ইচ্ছা শিরোধার্য মেনে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলেন। এখানে পড়াকালীন কবি সৈয়দ শামসুল হকের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে প্রেম, প্রেম থেকে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। তাঁরা ১৯৬৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ব্যাপারটি আনোয়ারা সৈয়দ হকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অবচেতনে মনে মনে তিনি এমন জীবনই পেতে চেয়েছেন। তাঁরা দুজন যাপন করেছেন শিল্পমুখর সময়। মেডিকেলে অধ্যয়ন শেষে ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরে ইমার্জেন্সি কমিশনে লেফটেন্যান্ট পদে যোগ দেন। অবশ্য মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৪ সালে তিনি বিমানবাহিনীর এই চাকরি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৪ সালে লন্ডন থেকে ফিরে এসে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। পেশায় একজন স্বনামধন্য মনোরোগ চিকিৎসক হলেও নেশায় মনেপ্রাণে তিনি একজন লেখক। ইতোমধ্যে সাহিত্যমহলে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়েছে। ‘দৈনিক আজাদ', ‘মাসিক মোহাম্মদী' ‘গুলিস্তা' ও ‘টাপুরটুপুর' ইত্যাদিসহ নানা পত্রিকায় তাঁর লেখা মুদ্রিত হয়েছে।
‘নরক ও ফুলের কাহিনী' গ্রন্থে শৈশব-কৈশোর থেকে শুরু ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়া পর্যন্ত সময়ের বিস্তার স্থান পেয়েছে। ‘অবরুদ্ধ' শিরোনামের গ্রন্থে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন দুঃসহ সময়ের কথা। পাকিস্তানি এয়ারফোর্সের মেডিকেল কোরের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ডা. আনোয়ারা বেগম দায়িত্বসূত্রে তখন গ্রীন রোডের ২১ নম্বর বাড়িতে থাকেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি পালিয়ে যাননি বরং চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকার এয়ারবেসের মেডিকেল সেন্টারে তিনি নারী ও শিশু রোগীদের চিকিৎসা দিতেন। এই সময়পর্বকে তিনি অবরুদ্ধ সময় হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। গ্রন্থে তিনি তাঁর অসহায়তা নিয়ে যেমন লিখেছেন, তেমনই অপারগতা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। এই গ্রন্থপাঠে প্রশ্ন উঠতে পারে মুক্তিযুদ্ধের সময় সৈয়দ হক কিংবা তিনি কি অবদান রেখেছেন। আনোয়ারা সৈয়দ হক এ প্রসঙ্গে অকপটে দিয়েছেন নিজের সরল স্বীকারোক্তি। তিনি বলেন ‘ওই উত্তাল গণজাগরণের দিনগুলোতেই কি না গায়ে পাকিস্তানি এয়ারফোর্সের উর্দি চাপিয়ে পাক আর্মির চাকরি করে গেছি, খেয়েপরে থাকার তাগিদে তাদের দাসত্ব (একরকমের) করে চলেছি। সেই দিনগুলোতে আমার স্বামী সৈয়দ শামসুল হক লিখে চলেছেন ‘বৈশাখে রচিত পঙক্তিমালা'। দিন নেই, রাত নেই, খাওয়া নেই, পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা নেই, লিখে চলেছেন তিনি। লাইনের পর লাইন। লাইনের পর লাইন। ভোরে ঘুম থেকে জেগে ইউনিফর্ম গায়ে চাপিয়ে এয়ারফোর্স স্কোয়াড্রনে রওনা হওয়ার আগে দেখি তিনি আমার আগেই ঘুম থেকে জেগে উঠে সেই বিশাল ডাইনিং টেবিলের কোণে বসে সাজিয়ে তুলেছেন পঙক্তির পঙক্তি। আবার দুপুর দুটোর পরে বাড়ি ফিরে দেখি উনি তখনো আপন মনে লিখে চলেছেন। ঘরদোর সেই ভোরে যেভাবে ফেলে গিয়েছিলাম, সেভাবেই পড়ে আছে।'
আনোয়ারা সৈয়দ হক স্বামী-সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। কারণ যুদ্ধচলাকালীন দেশের অনেক বুদ্ধিজীবী-কবি-শিল্পীকে পাকবাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেছে। সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখে সৈয়দ হক লন্ডনে গেলে তিনি কিছুটা নির্ভার হন। এদিকে আনোয়ারা সৈয়দ হক রয়ে গেলেন অবরুদ্ধ ঢাকায়। মজার ব্যাপার এই, পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের সংবাদ বিবিসি থেকে প্রথম পাঠ করে শোনান সৈয়দ শামসুল হক। এই গ্রন্থে হার্বাট শরাফ নামে একজন সিনিয়র স্কোয়াড্রন লিডারের নাম এসেছে। আনোয়ারা সৈয়দ হক অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করেছেন। তাঁর সহযোগিতায় তিনি তাঁর ভাইকে পাকিস্তানিদের হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন। শুধু তাই নয়, এই খ্রিস্টান ভদ্রলোক সৈয়দ শামসুল হকের লন্ডন গমনের সময় সহযোগিতা করেছিলেন। একজন সুশ্রী নারী ডাক্তারের জন্য সেসময় দায়িত্ব পালন করা মোটেও সহজ ছিল না। আনোয়ারা সৈয়দ হক সাহসিকতার সঙ্গে সেটা করেছেন। ‘অবরুদ্ধ' গ্রন্থটি ব্যক্তিগত স্মৃতিগদ্য হলেও এখানে যুক্ত হয়েছে যুদ্ধকালীন ঢাকা শহরের খণ্ড খণ্ড চিত্র। সেসময় তাঁর বাসায় অনেকেই নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নিয়েছিলেন।
আনোয়ারা সৈয়দ হকের স্মৃতিগদ্যে ব্যক্তিগত ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সমকালীন সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতি। প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করে বেড়ে ওঠা সংগ্রামী এক নারীর গল্প। সেই নারী আমাদের সুপ্রিয় লেখক আনোয়ারা সৈয়দ হক।
লেখক পরিচয়
ফারুক সুমন
কবি ও প্রাবন্ধিক
জন্ম: ১ মার্চ ১৯৮৫। শাহরাস্তি, চাঁদপুর। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর (প্রথম শ্রেণি) এবং উচ্চতর এম. ফিল (২০১৪) ডিগ্রি অর্জন। বর্তমানে পিএইচডি ফেলো। একাডেমিক কৃতিত্বের জন্য পেয়েছেন ‘নিপ্পন ফাউন্ডেশন অব জাপান’ (২০০৬) শিক্ষাবৃত্তি। ২০১৯ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘সার্ক সাহিত্য সম্মেলন' এবং ‘নেপাল আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন’-এ যোগদান করেন। সম্পাদনা করেছেন (যৌথ) লিটল ম্যাগাজিন 'অক্ষৌহিণী'। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক 'পোয়েম ভেইন বাংলা'। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ‘রউফিয়ান রিদম সাহিত্য সম্মাননা-২০১৬' 'উচ্ছ্বাসপ্রহর সাহিত্য সম্মাননা-২০১৯' 'সমতটের কাগজ লেখক-সম্মাননা-২০২০' এবং 'চর্যাপদ একাডেমি দোনাগাজী সাহিত্যপদক-২০২১'।
বর্তমানে ‘বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ' (রাইফেলস কলেজ, বিজিবি সদর, পিলখানা, ঢাকা)- এ বাংলা বিষয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন।
লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ
কাব্যগ্রন্থ
১. ‘অচঞ্চল জলের ভিতর নিরাকার বসে' (২০১৭)
২. ‘আঙুলের ডগায় সূর্যোদয় (২০১৮)
৩. ‘বিচঞ্চল বৃষ্টিবিহার' (২০২০)
প্রবন্ধগ্রন্থ
১. ‘শামসুর রাহমানের কবিতা: নগর-চেতনা ও নাগরিক অনুষঙ্গ' (২০১৫)
২. ‘শিল্পের করতালি' (২০১৯)
৩. ‘শামসুর রাহমানের কাব্যস্বর' (২০২১)
ভ্রমণগ্রন্থ
১. ভ্রমণে অবাক অবগাহন (২০২১)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাহিত্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :