শস্য বীমা পেলেন সাদুল্লাপুরের ৮৫৯ আলু চাষি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৬ মে ২০২২, ২০:৩৯

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ব্র্যাক এরিয়া অফিসের শস্য বীমা প্রকল্পের আওতায় ৮৫৯ জন আলু চাষি পেলেন ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৮ টাকা। আবহাওয়া সূচকভিত্তিক আলুর বীমা দাবি প্রদান করা হয় তাদের।

সোমবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে সাদুল্লাপুর ব্র্যাক এরিয়া অফিসে বীমা প্রদান উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত তিন দিন অমৌসুমি বৃষ্টিপাত ও কম তাপমাত্রার কারণে বীমা দাবির আওতায় আসেন এ সকল কৃষকএয়া। ব্র্যাকের কৃষকরা বীমার প্রিমিয়াম বাবদ ২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৪ টাকা নির্দিষ্ট পরিমাণ জমির উপর প্রদান করেন যার উপর ভিত্তি করে বীমা দাবি পরিশোধ করা হয়।

বীমা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহ্‌রিয়ার আহ্‌সান। কৃষকের হাতে চেক প্রদানের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্ভোদন করে তিনি বলেন, “সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সাধারণ মানুষকে বীমা সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং শস্য বীমা যদি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া যায় তবে কৃষকরা আরও সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্য পাবে। যেহেতু এই শস্য বীমা পদ্ধতিটি আবহাওয়া তথ্য প্রাপ্তির সাথে সংশ্লিষ্ট সেহেতু আমরা আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করবো। কৃষকের কথা চিন্তা করে শস্য বীমার পাশাপাশি স্বাস্থ্য বীমা ও দূর্ঘটনা বীমা সেবা চালু করা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিনজেনটা ফাউন্ডেশন ফর সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার (এসএফএসএ) এর নির্বাহী পরিচালক সায়মন উইন্টার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ সাহা, জেনারেল ম্যানেজার, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন; মোঃ মাহবুবুল আলম বসুনিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সাদুল্লাপুর; জনাব মোঃ সাহারিয়া খাঁন, উপজেলা চেয়ারম্যান, সাদুল্লাপুর।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি স্থানান্তরের লক্ষ্যে শস্য সুরক্ষা প্রকল্প ২০১৮ সাল থেকে কৃষককে শস্যবীমার আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রকল্পটির অর্থায়নে আছে বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাস ও ব্যবস্থাপনায়- সুইসকন্টাক্ট। আর সহ-অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে আছে সিনজেনটা ফাউন্ডেশন ফর সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার। এই প্রকল্পটি মূলত বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী বীমা সংস্থাসমূহ যেমন সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও বিতরণকারী সংস্থা যেমন ব্র্যাক – দেরকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশে শস্য বীমার বাজার উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। প্রকল্পটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ১৬টি জেলার ৬৪টি উপ-জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে আর প্রায় ৪ লাখ ১৬ হাজার কাছাকাছি বীমা পলিসি কৃষকরা কিনেছেন।

এছাড়াও প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ কৃষকের মাঝে মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্ভাবাস ও কৃষি পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/১৬মে/ওএফ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :