বিমানবন্দরে সাংবাদিক ভুট্টোকে হয়রানির অভিযোগ!

ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে ছেড়েছিলেন দেশ। বিদেশে বসে সরকার বিরোধী পোস্ট দিয়ে সবসময় থেকেছেন সরব। এবার দেশের মাটিতে পা রেখে নিজেই হলেন হয়রানির শিকার। বলছি— প্রবাসী সাংবাদিক আব্দুর রব ভুট্টোর কথা।
বুধবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুট্টোকে ৩ ঘন্টার বেশি সময় ধরে আটকে রেখে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পরে অবশ্য সরকারের উপর মহলের হস্তক্ষেপে মুক্তি মিলেছে তাঁর। একইদিন সন্ধ্যায় এই সিনিয়র সাংবাদিক ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা যায়, বিমানের বিজি ২০৮ ফ্লাইটে বুধবার বেলা ১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পরে ইমিগ্রেশনে গেলে কর্তব্যরত অফিসার জানান, ইমিগ্রেশন থেকে তাকে ব্লক করে রাখা হয়েছে। তিন ঘন্টা পর সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশ তাঁর ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গেল ছয়মাস আগে দেশ থেকে ঘুরে গেলেও তখন কোনো সমস্যায় পড়েননি এই সাংবাদিক।
বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের ওসি আতিকুর রহমান জানান, পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে তার পাসপোর্ট ব্লক করে রাখা হয়েছিল। পরে ঊর্ধ্বতনদের হস্তক্ষেপে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। তবে কী কারণে ভুট্টোর ইমিগ্রেশন ব্লক করা হয়েছিল এ ব্যাপারে কিছু জানা নেই এই পুলিশ কর্মকর্তার।
সাংবাদিক ভুট্টো বলেন, ‘অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। তবে দমে যায়নি; বিদেশে বসেও পলাতক সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখি চালিয়ে গিয়েছি। এবার ছয়মাস পর দেশের মাটিতে পা রেখেই হয়রানীর শিকার হলাম।’
তিনি মনে করেন, সব সরকারের আমলে সুবিধাভোগী ও সুযোগসন্ধানী কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে সম্প্রতি লেখালেখি করেছিলাম। তারাই ভুট্টোকে ইমিগ্রেশনে হয়রানী করেছে— যোগ করেন এই প্রবাসী সাংবাদিক।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































