৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে খুলনা কর অফিস

জহির রায়হান
| আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৯, ২২:৩১ | প্রকাশিত : ২১ আগস্ট ২০১৯, ১৯:২৪

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) খুলনা কর ভবটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এখন ভারা বাড়িতে কর আদায় কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। আর এর ফলে কর আহরণ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে এ সমস্যার সমাধানে আধুনিক কর ভবণ নির্মান হচ্ছে খুলনায়।

খুলনা মহানগরীতে এনবিআরের নিজস্ব জায়গায় ৭১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যায়ে  এ ভবন নির্মান করা হবে।  ১০ তলা আধুনিক কর ভবণ নির্মানের বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর ও এনবিআর।

সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘খুলনা কর ভবন নির্মণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। খুলনা মহানগরীর বয়রা এলাকায় সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ১ দশমিক ৩৫ একর জমিতে নির্মাণ হবে  এ ভবন। যার কাজ শেষ হবে ২০২২ সালের জুন মাসে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খুলনা কর অঞ্চলের  দাপ্তরিক কার্যক্রম ছাড়াও আয়কর মেলা, আয়কর সম্পাহ ইত্যাদি ইভেন্ট-এর মাধ্যমে আয়কর প্রদানে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ করদাদেরকে ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব হবে। এতে আয়কর আহরাণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে প্রকল্প সূত্রে জানা যায়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগীয় সদরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের খুলনা কর ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মুজগুন্নী এলাকায় ভাড়া বাড়িতে কর আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে বর্ধিত কর আহরণ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রকল্পসূত্রে জানাগেছে, খুলনা কর অঞ্চলের ২২টি সার্কেলের মধ্যে ৭টি সার্কেল অফিস, ২টি রেঞ্জ অফিস, ১টি বিভাগীয় প্রতিনিধির কার্যালয়, ট্যাকসেস আপীলাত ট্রাইব্যুনাল অফিস, কর কমিশনার (আপীল) অফিস, কর আপীলাত রেঞ্জ-১ ও ২, জরিপ রেঞ্জ এবং জরিপ সার্কেল  ১ ও ২ কার্যালয়সহ ১৯টি অফিস স্থানান্তরের পরিকল্পনা করে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ প্রস্তাবিত ‘খুলনা কর ভবন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।

এ প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, একটি সেমি বেইজমেন্টসহ ১০ তলা ভবন নির্মাণ, বহিঃবিদ্যুতায়ন ও ২৫০ কেভিএ সাব-স্টেশন নির্মাণ, এয়ারকুলার, সোলার সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সংগ্রহ, ভূমি উন্নয়ন-৪৫০০ ঘন মিটার, অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণ-২৫০০ বর্গমিটার ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ-২৯৫ মিটার, সারফেইস ড্রেন নির্মাণ-৪১৫ মিটার, বহিঃপানি সরবরাহ ও সেনিটারী এবং বৃষ্টির পানি ধারণ, সিকিউরিটিজ ব্যবস্থা।

প্রকল্পের যৌক্তিকতায় বলা হয়,  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও ভ্যাট) ও বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ রাজস্ব আহরণে দেশের প্রত্যন্ত আঞ্চলে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় রাজস্ব বাজেটের প্রায় ৮৬ শতাংশ এনবিআর সংগ্রত করে থাকে। এবং উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ এই সংগৃহীত অর্থ থেকে ব্যয় করা হয়। প্রতি বছর রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্র উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ার এনবিআর এর কর্মকান্ড সম্প্রসারিত হলেও সে অনুযায়ী অবকাঠামো গত সুবিধাদি বৃদ্ধি হয়নি।

 ঢাকাটাইমস/২১আগস্ট/জেআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :