নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রুমিন ফারহানা

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানা বলেছেন, নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। কিছু কিছু জায়গায় আমার কর্মীদেরকে বলা হচ্ছে যে তাদের ওপরে হয়তো মামলা দেওয়া হবে। যদি এমন কিছু হয় যেটা আমার নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে, তাৎক্ষণিক আমি ব্যবস্থা নেব।
শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান রুমিন ফারহানার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। রুমিন ফারহানাসহ এ আসনে দাখিল করা ১১ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্রই যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘মনোনয়ন না দেওয়ায় দলের প্রতি কোনো কষ্ট বা ক্ষোভ নেই। দলের যখন দুঃসময় ছিল তখন বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বে ছিলেন।
তিনি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা অনেক সময় দেখা গেছে আমার বয়স এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বড়। সেই দায়িত্ব আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন যখন ২০১৮ সালের সংসদে, ২০১৯ সাল থেকে আমি জয়েন করি এবং সেখানে আমার ভূমিকা কী ছিল। দল যখন ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমাকে পদত্যাগ করতে বলে, আমি এক মুহূর্তও চিন্তা করিনি।
যখন বলেছে আমি সেই মুহূর্তেই পদত্যাগ করেছি। এরপরও দল যদি মনে করে নতুন নেতৃত্ব—তাকে আমি স্বাগত জানাই। আমি আমার রাজনীতি চালিয়ে যাব।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রুমিন ফারহানাও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপরই তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ আসে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































