হিযবুত নেতা মহিউদ্দিনসহ ৪ জন খালাস, দুজনের দণ্ড

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৯, ২২:১৬ | প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৮:১৪

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হিযবুত তাহরীরের প্রধান সমন্বয়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক মহিউদ্দিনসহ চারজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। তবে একই মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনটির সদস্য সাইদুর রহমান ও তৌহিদুল আলমের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পলাতক এ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।

রবিবার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

অধ্যাপক মহিউদ্দিন ছাড়া খালাস পাওয়া বাকি তিন আসামি হলেন- হিযবুত তাহরীরের যুগ্ম সমন্বয়ক কাজী মোরশেদুল হক প্লাবন, সদস্য তানভীর আহম্মেদ ও আবু ইউসুফ আলী।

রাষ্ট্রবিরোধী উগ্রপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সরকার ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার এ সংগঠনের কর্মীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অর্ধশতাধিক মামলা হয় ঢাকায়।

উগ্রপন্থী হিযবুত তাহরীরের প্রতিষ্ঠা ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে। এই দলের প্রতিষ্ঠাতার নাম তকিউদ্দিন আল নাভানী। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান গ্রহণকারী এই সংগঠনটি ইসলামী খিলাফত কায়েমে বিশ্বাসী। বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে তারা সক্রিয় বলে জানা যায়।

সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের পেশকার আতাউর রহমান জানান, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাইদুর রহমান ও তৌহিদুল আলম পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে তাকওয়া মসজিদের সামনে হিযবুত তাহরীরের কিছু সদস্য সরকারবিরোধী লিফলেট ও পোস্টার বিলি এবং জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পেট্রলবোমা নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে হিযবুত সদস্য তানভীর আহম্মেদ, সাইদুর রহমান রাজিব ও তৌহিদুল আলমকে পেট্রোল বোমাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মহিউদ্দিন আহম্মেদের নির্দেশেই তারা সেখানে গিয়েছিল বলে পুলিশ জানায়।

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পুলিশ তাদের সঙ্গে আরও দুইজনকে যোগ করে মহিউদ্দিনসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত কামরুল হোসেন মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ১৬ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাতজন সাক্ষ্য দেন।

ঢাকাটাইমস/২৪মার্চ/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :