রাজশাহীতে ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রি বন্ধ

ব্যুরো প্রধান, রাজশাহী
  প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০২০, ২২:২৮
অ- অ+

রাজশাহীতে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ওএমএসের মাধ্যমে এই চাল বিক্রি শুরু হয়েছিল। সপ্তাহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত চাল বিক্রি করা হচ্ছিল। তবে গত রবিবার থেকে চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে।

ডিলাররা বলছেন, রবিবার থেকে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের গুদাম থেকে তাদের চাল দেয়া হচ্ছে না। কোনো কোনো ডিলার চালের জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন। তবুও তাদের চাল দেয়া হয়নি। রবিবার সকালে চালের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষেরা ডিলারদের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েও চাল পাননি। তাদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। সোমবার চাল দেয়া হবে বলেও অনেকে গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। কিন্তু চাল পাননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল থেকে রাজশাহী মহানগরী ও পৌর এলাকায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছিল। রাজশাহী মহানগরীতে চাল বিক্রি করা হচ্ছিল ৩২টি পয়েন্টে। জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে মাসে একজন ব্যক্তি ২০ কেজি চাল কিনতে পারবেন। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, পরিবহন শ্রমিক, ফেরিওয়ালা, চায়ের দোকানদাররা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে চাল কিনছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া এসব মানুষের উপকার হচ্ছিল ১০ টাকা কেজি দরের চালে। তবে সেটিও এখন বন্ধ হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে চাল বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কেন এমন নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা তিনি জানেন না। তবে তিনি মন্ত্রণালয়ের কোনো চিঠি দেখাতে পারেননি।

খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলেন, কোনো ডিলার যদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে থাকেন তবে পরে চাল বিক্রি শুরু হলে সমন্বয় করা হবে।

তিনি জানান, গত ৫ এপ্রিল থেকে নগরীতে ৭০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/১৩এপ্রিল/এলএ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near ') ORDER BY entry_time DESC,id DESC LIMIT 4' at line 4