ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপহৃত দুই যুবক উদ্ধার, আটজন আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৮ জুন ২০২০, ২৩:২১ | প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০২০, ২৩:১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপহরণকারী চক্রের নারীসহ আট সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপহৃত দুই যুবককেও উদ্ধার করা হয়।

রবিবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাউতলী গ্রামের (হ্যালো ব্যাকারির গলি) আজমল হোসেন ভূইয়ার বাড়ির চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া শাহ আলম ওরফে পলাশের বাসা থেকে তাদেরকে আটক ও অপহৃত দুই যুবককে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার যুবকরা হলেন সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল মিয়া (২৪) ও একই এলাকার আরিস ঠাকুরের ছেলে কুতুব মিয়া (২৮)। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অপহরণকারীরা তাদেরকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।

আটকরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের রাজঘর গ্রামের লুৎফা বেগম(৩২), একই গ্রামের মোজাম্মেল(২৫), কসবা উপজেলার শিকারপুর গ্রামের শাহ আলম ওরফে পলাশ(৪০), পলাশের স্ত্রী আইরিন আক্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের আবন আলীর কন্যা পলি আক্তার (২৮), পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান মিশাল(২৮), পৌর এলাকার কাজীপাড়া গ্রামের জাবেদ(৩৪) ও নবীনগর উপজেলার বান্ডুসার গ্রামের মামুন(২৩)।

পুলিশ জানায়, অপহরণকারী লুৎফা বেগম মোবাইল ফোনে সখ্যতা সৃষ্টি করে। যোগাযোগের এক পর্যায়ে গত শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ভিকটিম সোহেল মিয়া ও কুতুব মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাউতলী গ্রামের আজমল হোসেন ভূইয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া শাহ আলম ওরফে পলাশের বাসায় ডেকে নিয়ে যায়।

পরে বাসায় থাকা অন্যান্য অপরহরণকারীরা ভিকটিম সোহেল এবং কুতুব মিয়াকে আটক করে তাদের হাত ও চোখ বেঁধে ফেলে।

অপহরণকারীরা সোহেল ও কুতুবের আত্মীয় স্বজনের কাছে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মোটা অংকের টাকা মুক্তিপণ হিসেবে দাবি করতে থাকে।

অপহরণকারীদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে অপহৃত যুবকদের পরিবারের লোকজন বিষয়টি সরাইল থানা পুলিশকে জানায়।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন রেজার নেতৃত্বে পুলিশ গভীর রাতে অভিযান চালায়। রবিবার ভোরে আটজন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে অপহৃত দুই যুবককে উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন রেজার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গ্রেপ্তাররা পেশাদার অপহরণকারী। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

তিনি বলেন, আটক অপরাধীরা অপহৃত সোহেলের পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা ও কুতুব উদ্দিনের পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

(ঢাকাটাইমস/২৮জুন/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :