অনৈতিক সুবিধা: দুদকের তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২১:০০

দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে অনৈতিক সুবিধা দাবি করার অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে দুদক কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনকে ডেকেছেন হাইকোর্ট।

আগামী ৭ নভেম্বর তাকে সশরীরে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করায় তার বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন আদালত। এছাড়া রুল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত রিটকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তকাজ বন্ধ রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন মো. কামাল হোসেন। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আসিফ হাসান।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের বলেন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের ঘটনায় এক দম্পতির বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক। কিন্তু তদন্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন চেয়ে দুদকে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি ওই দম্পতি। ফলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে রিট মামলা করেন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য জানাতে ২০১৯ সালের ৩ মার্চ মো. আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার ও তার স্ত্রী মাহিনুর বেগমকে নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের (ঢাকা-১) উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ওই নোটিশটি দেন। তবে নোটিশের উপযুক্ত জবাব না মেলায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ওই দম্পতিকে আসামি করে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে মামলা করা হয়। ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৫৪৩ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন, ৯০ লাখ ১২ হাজার ৭৯৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং তা দখলে রাখার অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে চাকরি করার সুবাদে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ অর্থ দিয়ে তার নিজ নামে সম্পদ অর্জন করেন। এই সম্পদ নিজ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার ঢাকা সদরের সাবেক সাব রেজিস্ট্রার ছিলেন। তিনি বর্তমানে পিরোজপুরের জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত আছেন।

(ঢাকাটাইমস/২৫অক্টোবর/এআইএম/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :