এক বনাম দুইয়ের লড়াই

ক্রীড়া প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:১৪

সিলেট পর্ব শেষ করে বিপিএল আবার ফিরছে ঢাকায়। আজ মিরপুর শেরেই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দুটি ম্যাচে। দুপুর সাড়ে ১২টার ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স মুখোমুখি হবে রাজশাহী কিংসের। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় হেভিওয়েট ম্যাচে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল ঢাকা ডায়নামাইটস খেলবে দুই নম্বর দল চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে।

সন্ধ্যার ম্যাচটি নিঃসন্দেহে সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। রাজশাহী ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দলের কাছে মাথানত করেনি সাকিব আল হাসানের ঢাকা। ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই জিতে শেষ চারের পথে সবচেয়ে এগিয়ে ডায়নামাইটস। চিটাগংও কম যাচ্ছে না। শেষ তিন ম্যাচেই জিতেছে মুশফিকুর রহিমের দল। সব মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচে চারটিতেই জয় তাদের। খুলনার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে তো রানের পাহাড় গড়ে জিতেছে ভাইকিংস। তাদের হাত ধরেই এবারের বিপিএলে প্রথম দুশো ছাড়ানো ইনিংস দেখেছে দর্শকরা।

কাজেই ডায়নামাইটস-ভাইকিংসের মধ্যকার ম্যাচটি জমজমাট হবে বলেই আশা সবার। দেখা যাক, দুদলের প্রথম সাক্ষাতে শেষ হাসিটা কে হাসে।

কুমিল্লা-রাজশাহীর ম্যাচটিতে কোনো দলকেই ফেভারিট বলা যাবে না। ছয় ম্যাচে চার জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে ভিক্টোরিয়ান্স। সমানসংখ্যক ম্যাচ খেলে তিন জয়ে রাজশাহী আছে পাঁচ নম্বরে। তবে মিরপুরে প্রথম দেখায় কুমিল্লার কাছে ৫ উইকেটে পরাজিত হয় রাজশাহী। ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১২৪ রানেই গুটিয়ে যায় কিংস। সহজ লক্ষ্য সাত বল হাতে রেখেই টপকে যায় ভিক্টোরিয়ান্স।

কুমিল্লাকে হারাতে স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান জমা করা চাই। কিন্তু বিপিএলে ছয় ম্যাচের একটিতেও দেড়শোর্ধ্ব দলীয় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি কিংস। সর্বোচ্চ ১৩৬। তবে কিংসের মূল শক্তি তাদের বোলিং বিভাগ। তিনটি জয় বোলারদের কল্যাণেই এসেছে। প্রথমটি খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে ৭ উইকেটে। আগে ব্যাট করতে নামা টাইটানসকে ১১৭ রানেই আটকে দিয়েছিল কিংস। এরপর ৭ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মেহেদি মিরাজের দল। দ্বিতীয় জয় রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। মাত্র ১৩৫ রানের পুঁজি নিয়েও মাশরাফিদের ৫ রানে হারিয়ে দেয় তারা। ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে তৃতীয় জয়টিও এসেছে বোলিং নৈপুণ্যে। আগে ব্যাট করে ১৩৬ রান তুলেছিল রাজশাহী। সেটি তাড়া করতে নেমে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও ১১৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি সাকিব আল হাসানের দল।

কিংসের তুলনায় ভিক্টোরিয়ান্সের ব্যাটিং বিভাগ শক্তিধর। বোলিং বিভাগও সমীহ করার মতো। দেশি বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোহাম্মদ শহীদ, মেহেদী হাসান নিয়মিত উইকেট শিকার করছেন। বিদেশিদের মধ্যে লিয়াম ডসন, ওয়াহাব রিয়াজ ভালো বোলিং করছেন। অলরাউন্ডার হিসেবে শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে রয়েছেন থিসারা পেরেরা। ব্যাটে-বলে দুজনই অবদান রাখছেন দলে।

খুলনার বিপক্ষে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে ১৮১ রান তাড়া করে জিতেছে কুমিল্লা। এই জয়ে মূল ভূমিকা রেখেছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল আর এনামুল হক বিজয়। টানা পাঁচ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া তামিম এই ম্যাচে ৭৩ রানের এক ঝলমলে ইনিংস উপহার দেন। খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে বিজয়ও খেলেছেন চল্লিশোর্ধ্ব একটি ইনিংস। তাদের রানে ফেরা নিঃসন্দেহে স্বস্তি এনে দিয়েছে ভিক্টোরিয়ান্স শিবিরে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত