ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী

নাগরিক সমস্যা ও নিরাপত্তায় জোর দেবেন বাছেক

নিজস্ব প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৮

নিবার্চনী নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিল প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাছেক। ঠেলাগাড়ি প্রতীকের লিফলেট নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করছেন, এই ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত এবং স্যুয়ারেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করবেন। নারী ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে তার ইশতেহারে।

ভাটারা ইউনিয়ন ভেঙে সিটি করপোরেশনের ৩৯ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়াভুক্ত এই এলাকা। এবারই প্রথম কাউন্সিলর নির্বাচন হচ্ছে এই ওয়ার্ডে। কাউন্সিলর পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- লাটিম প্রতীকে শহিদুল আমিন, ঘুড়ি প্রতীকে ফরিদ আহমেদ, ব্যাডমিন্টন প্রতীকে নবিয়ার হোসেন, ঝুড়ি প্রতীকে  বরকত খান এবং ঠেলাগাড়ি প্রতীকে শফিকুল ইসলাম বাছেক। ওয়ার্ডটিতে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার প্রায় ৪৫ হাজার।

বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষের দরজায় যাচ্ছেন শফিকুল ইসলাম বাছেক। স্থানীয় ছাত্রলীগ ও মহিলা লীগ ছাড়াও স্থানীয়রা তার পক্ষে সাধারণ ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন।

রাজধানীর শহীদ তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক শিক্ষাজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। বর্তমানে তিনি ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য। শিক্ষার্থী ও মেধাবী প্রার্থী হিসেবে এই ওয়ার্ডে তার জনপ্রিয়তা বেশ। ভাটারা এলাকার নুরের চালা এলাকায় গড়েছেন নির্বাচনী ক্যাম্প। সেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নারী-পুরুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। এ ছাড়া প্রতিটি মহল্লায় করেছেন ঠেলাগাড়ি প্রতীকের নির্বাচনী বুথ।


তরুণ এই কাউন্সিলর প্রার্থী বলেন, ‘আমি ছাত্ররাজনীতি যখন করতাম তখন থেকেই এই এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে থাকব। নতুন প্রার্থী হিসেবে এলাকায় বেশ সাড়া পড়েছে। স্থানীয়রা আমার হয়ে কাজ করছেন। কাউন্সিলর হলে সর্বপ্রথম মাদকমুক্ত এলাকা গঠন এবং রাস্তা সংস্কারে হাত দিব। বিশেষ করে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন রাস্তা তৈরি ও পুরাতন রাস্তাগুলো সংস্কার করা হবে। তাছাড়া অলি-গলিতে কাঁচা রাস্তাগুলো পাকা করতে কাজ করব। আমার সব উন্নয়ন হবে সাধারণ মানুষের জন্য।’

তরুণদের জন্য কী ভাবনা আছে এমন প্রশ্নে বাছেক বলেন, ‘প্রথমে চেষ্টা করব যুব ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরির, যাতে স্থানীয় যুবকরা আধুনিক যুবশক্তি হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধ করে নারী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হবে। সঙ্গে নারীদের নতুন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থা করব। এ ছাড়া খেলার মাঠ ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য চেষ্টা চালাব।’

৩৯ নম্বর ওয়ার্ড সম্পূর্ণ ডিজিটাল ওয়ার্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বাছেক বলেন, ‘শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ স্বপ্ন না বাস্তব। তাই আমি এই ওয়ার্ডটি ডিজিটালাইজেশন করব এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিনামূল্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও ফ্রি ওয়াইফাইয়ের ব্যবস্থা করব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :