বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত ৫৬ লাখ ছুঁই ছুঁই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৬ মে ২০২০, ১৬:৩৮ | প্রকাশিত : ২৬ মে ২০২০, ০৭:৩৮

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার প্রকোপ থামছেনই না। অচেনা ভাইরাস প্রতিদিনই কেড়ে নিচ্ছে অসংখ্যা প্রাণ। আক্রান্তের তালিকাতেও প্রতিদিন যোগ হচ্ছে নতুন নতুন হাজারো নাম।

চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী প্রাণসংহারি ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লেও এখন কয়েকটি দেশে এর প্রকোপ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত একদিনে বিশ্বে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮ হাজার ৮৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ লাখ ৮৮ হাজার ৩৫৬ জন।

এছাড়া একই সময়ে নতুন মৃত্যু হয়েছে ১৪৫৪ জনের। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৪৭ হাজার ৮৭৩ জনে। অপরদিকে এ পর্যন্ত ২৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৬৪ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাণ্ডব চালিয়েছে করোনাভাইরাস। এখন এর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে রাশিয়া, ব্রাজিল ও ব্রিটেন।

আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৬ হাজার ২২৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯৯ হাজার ৮০৬ জনের।

আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৬৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজার ৫২২ জনের।

রাশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৬৩৩ জনের। স্পেনে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৮০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮৩৭ জনের।

মৃত্যুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রিটেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৯১৪জন, আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৬১ হাজার ১৮৪ জন। এছাড়া ইতালিতে নিহত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৭৭ জন।

চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত পাঁচ মাসে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। অধিকাংশ দেশেই মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে মানুষের চলাফেরার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো দেশে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ লকডাউন, কোথাও কোথাও আংশিকভাবে চলছে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চলাফেরার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ওপর পড়েছেন। তবে এরই মধ্যে কোনো কোনো দেশে করোনার প্রভাব কমে যাওয়া লকডাউন শিথিল ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

ঢাকাটাইমস/২৬মে/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :