বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে ফেসবুক আসক্তির চিকিৎসা

জহির রায়হান
| আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:০৬ | প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:০৪

মেয়েকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন মধ্যবয়সী এক মা। তার কিশোরী মেয়ের এমন একটি সমস্যা হয়েছে যার চিকিৎসা সম্ভব, সেটা জানলেই অবাক হতে হয়। মেয়েটি ফেসবুকে আসক্ত হয়ে পড়ায় তার স্বাভাবিক জীবনাচরণ পাল্টে গেছে। সারাক্ষণ সামাজিক মাধ্যমে ডুবে থেকে পড়ালেখা লাটে উঠার উপক্রম।

গত ১৮ এপ্রিল দেখা হয় এই মা-মেয়ের সঙ্গে। ওই মা বললেন, “আমার মেয়ে সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে। ঘুম থেকে উঠলেই চিন্তিত হয়ে বলে, ‘আমার মোবাইল কই।’ এরপর হেডফোন কানে দিয়ে গান শোনে। বিভিন্ন ভিডিও দেখে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে।”

এই মা-মেয়ের বাড়ি খুলনায়। মেয়ের এই দশা দেখে চিন্তিত মা পরিচিতজনদের কাছে পরামর্শ করে জানতে পারেন এর চিকিৎসা আছে। আর এ জন্য তিনি ছুটে আসেন ঢাকায়।

কী সমস্যা হচ্ছে? ওই মা বলেন, “গত দুই বছর থেকে এ সমস্যাটা বেশি হচ্ছে। মেয়ে মোবাইল নিয়েই থাকে। প্রথমে নিষেধ করা হলে মোবাইল ভেঙে ফেলতো। এভাবে ১৫টি স্মার্ট ফোন ভেঙেছে। ফোন না কিনে দিলে উন্মাদের মতো আচরণ করতো। শেষ বার যখন ফোন ভেঙেছে তখন বলেছি, ‘আমরা তোমাকে কিন্তু আর ফোন কিনে দিতে পারব না।’ এর পর থেকে ফোন ভাঙে না। কিন্তু নিষেধ করলে চিৎকার চেঁচামেচি করে। খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করে না। ঘুমানোর কোনো টাইম নেই।”

‘পড়ালেখা না করায় পিছিয়ে পড়ছে মেয়েটা। এসএসসি পরীক্ষাও দিতে পারছে না।  আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মেয়ের রেজিস্ট্রেশন শেষ হয়ে যাবে। আমি বুঝতে পারছি না কী করব? ঢাকায় বাসা নিয়ে চিকিৎসা করাব? নাকি আগামী বছর মেয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ঢাকায় আসব?’

কথা বলার সময় পাস থেকে একজন বলে উঠলেন, ‘আরে পরীক্ষার কথা বাদ দেন। ঢাকায় চলে আসেন। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। আগে মেয়ে সুস্থ হোক তারপর অন্য বিষয়।’

এই মায়ের অবশ্য এবারই প্রথম ঢাকায় আসা নয়। কয়েক মাস আগেও তিনি চিকিৎসা করিয়ে নিয়েছেন। বলেন, ‘চিকিৎসার পর ভালো ছিল। এর পর টিচার রেখে দিয়েছিলাম, পড়াশোনাও ভালোই শুরু করেছিল। কিন্তু ১৫ দিন না যেতেই আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়লো। নেট ছাড়া এক মুহূর্তও চলতে পারে না।’

এখন  মেয়েটি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল  থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে। এখন সে স্বাভাবিক আচরণ করছে। টেস্ট (এসএসসি নির্বাচনি) পরিক্ষার পর আবার ঢাকায় চিকিৎসার  জন্য আসবে বলে জানান মেয়েটির মা।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগে ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যমে আসক্তির এই চিকিৎসার কথা এখনো সেভাবে প্রচার হয়নি। তবে সেখানে গেলেই বোঝা যায় সমস্যাটি কতটা প্রকট।

হাসপাতালের ই-ব্লকের ষষ্ঠ তলার ৬০৮ নম্বর কক্ষে প্রতি সোমবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সামাজিকমাধ্যমে আসক্তদের চিকিৎসা চলে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডি এডিকশন ক্লিনিক’। তবে বড় কোনো সাইনবোর্ড নেই। তাই আগে থেকে খোঁজখবর নিয়ে যাওয়া ভালো।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে এ সেবাটি বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে দেওয়া হচ্ছে। এখনো সেভাবে প্রচার হয়নি। কিন্তু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। যারা এসেছেন, তারা এই চিকিৎসার কথা জানতে পেরেছেন মুখে মুখে।

বিএসএমএমইউর সহযোগী অধ্যাপক শামসুল আহসান মাসুদ এই এডিকশন ক্লিনিকের সমন্বয়কারী।  ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন,  আমাদের কাছে এমন অনেক রোগী আসে। এদের মধ্যে টিনএজারদের সংখ্যা বেশি।

‘গেমস কিন্তু অনেকেই খেলে। কিন্তু সে খেলা যদি তার স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করে সেটাই আসক্তি। পরিবারের সদস্যরা এখন বুঝতে পারছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি একটা রোগ। অভিভাবকরা  ছেলেমেয়েদের নিয়ে আমাদের কাছে আসছে।’

গত এক যুগে গোটা বিশ্বে গণযোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে সামাজিক মাধ্যম। এর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে ফেসবুক। এরপর ইউটিউব। এখানে নিজের কথা, সমাজের কথা প্রচার করা যায়। আয়ের উৎসও হয়েছে সামাজিক এই মাধ্যম। কেউ তাদের পণ্যের প্রচার করেন, কেউ এটা-ওটা বিক্রি করেন। কেউ বা ভিডিও তৈরি করে আয়ের পথ খুঁজে নিয়েছেন।

আর তথ্য ও বিনোদনেরও অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে এটি। এখানে নানা ধরনের গেমস খেলা যায় অনলাইনে। তবে অবাধে প্রায় সব কিছুই এখানে আসে বলে অযাচিত আধেয়, গুজবসহ নানা ক্ষতিকর আধেয়ও ছড়াচ্ছে। আর ফিল্টারিং না থাকায় অপ্রাপ্তবয়স্করাও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি সব কিছু অবাধে দেখতে পারছে। এতে তাদের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

আবার বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপ তৈরি হয়েছে যা কেবল এর সদস্যরাই দেখতে পারেন। বিশেষ করে কৈশোর ও তারুণ্যের সময়টিতে ছেলেমেয়েদের এক বড় অংশ এ নিয়ে মেতে থাকে বলেই দেখা যাচ্ছে। কারো কারো ক্ষেত্রে বিষয়টি ওপরের ঘটনার মতোই আসক্তির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।  

রাজধানীর মিরপুরের একজন কিশোর নিজে থেকেই বুঝতে পারছিল, অনলাইন দুনিয়ার টান সে উপেক্ষা করতে পারছে না। মাকে নিয়ে আসে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে। বলে, ‘আমার কথা শুনে ডাক্তাররা আমাকে কিছু ওষুধ দিয়েছে। আর এক মাস কাউন্সিলিং নেওয়ার পর আবার দেখা করতে বলেছে।’

কী সমস্যা হচ্ছেÑ ওই কিশোর বলল, ‘যতক্ষণ শক্তি আছে ততক্ষণ জেগে থাকি, গেমস খেলি, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গার লোকের সঙ্গে মিলে পাপজি গেমস খেলি। সিনেমা, দেশি নাটকসহ ভারতীয় হাসির নাটকগুলো ইউটিউব থেকে দেখি। ফেসবুক তো ব্যবহার করিই। এভাবেই দেখা যায় কোনো কোনো রাতে ঘুম হয় না একটুও। পড়াশোনাসহ প্রয়োজনীয় কাজ ঠিক সময়ে শেষ করতে পারি না।’

ছেলেটির মা বললেন, ‘একটুও পড়তে চায় না। আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবে। এরই মধ্যে দুই বছর গ্যাপ দেওয়া হয়েছে। বুঝতে পারছি না কী হবে? বাসায় দুটি টিচার রাখা হয়েছে পড়ানোর জন্য কিন্তু টিচারকে সেই নিয়ন্ত্রণ করে। মনে চাইলে পড়তে বসে, না চাইলে বলে আজ পড়বে না।’

‘ছেলেটির মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে। কাজে বাধা দিলে মাঝেমধ্যে ভাংচুরও করে। বড়ভাই ঠিকভাবে চলতে বললে দেখা যায় তার সঙ্গে মারামারি বেধে যায়। যা ইচ্ছে হয় সেটাই করতে চায়।  টাকা না দিতে পারলেই বলে আজ স্কুলে যাবে না, অথবা খাবার খাবে না।’

ছেলেটি বলে, ‘আমি আমার রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। একদিন এক আত্মীয়র সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে আমি তার ৬০ হাজার টাকা দামের ফোনটি ভেঙে ফেলেছি। কিন্তু ভাঙার কয়েক ঘণ্টার পর আমার অনুশোচনা হয়েছে, এটা আমি কী করলাম। ’

রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের সঙ্গেও দেখা সেখানে। হতাশায় ভুগছেন তিনি। তার পড়াশোনাসহ প্রয়োজনীয় খরচ চালানোর জন্য তার বাবা টাকা দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ যে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল সেই হিসেবে এখন তার অনার্স কোর্স শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এ সময়ে অর্ধেকও শেষ হয়নি।

এরপর উপায় না পেয়ে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছেন ওই তরুণ। কিন্তু অফিস শেষ করে বাসায় এসে সারা দিন ইন্টারনেটে থাকে। ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ খুলে সেখানে কথা বলেন বিভিন্ন জনের সঙ্গে। ইউটিউবে একটার পর একটা সিনেমা, নাটক দেখেন, সামাজিক মাধ্যমে মেতে জেগে থাকেন গভীর রাত পর্যন্ত।

এই জীবনচক্রে খাওয়া-দাওয়াও হয়ে গেছে অনিয়মিত। রান্নার জন্য যিনি আসেন, তিনি আসেন সকাল ৯ টার দিকে। কিন্তু তখনো ঘুমিয়ে থাকা ওই তরুণ বাজার করতে পারেন না। এ নিয়ে মেসে প্রায়ই ঝামেলা বাধে।  

এর মধ্যে বাবাকে অনুরোধ করে আবার মাসিক বরাদ্দটা আনতে পেরেছেন। কথা দিয়েছেন, এটা শেষ সুযোগ। টাকা আসার পর চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই এক মাসেও বই নিয়ে বসা হয়নি।

এই সমস্যাটা উন্নত বিশ্বজুড়েও হচ্ছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। গত ১০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ‘জার্নাল অব বিহেভিয়ারাল এডিকশন’ সাময়িকীতে বলা হয়েছে, মাদকাসক্তদের তুলনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত শিক্ষার্থীরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক জার্মানির একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ জন শিক্ষার্থীর ফেসবুক ব্যবহারের ওপর গবেষণা করেন। তারা সবাই ফেসবুকে প্রচুর সময় কাটান। গবেষকদের সিদ্ধান্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিমাত্রায় বিচরণ মাদকাসক্তির মতোই খারাপ।

যা বলছেন চিকিৎকরা

বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান এম এ সালাহ্উদ্দিন কাউসার জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে যারা আসেন, তাদের কারও ভর্তির দরকার হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কোনো ওষুধ লাগলে সেটা দেওয়া হয়, পরীক্ষা করা প্রয়োজন হলে সেটাও দেওয়া হয়। পাশাপাশি চলে কাউন্সিলিং। প্রয়োজনে আসক্তের পরিবারসহ আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেও কথা বলা হয়। একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় যার সঙ্গে রোগী নিয়মিত যোগাযোগ করবেন।

ছুটির দিন বাদে প্রতিদিনই হয় কাউন্সিলিং। তবে চিকিৎসা নিতে চাইলে এখানে প্রথম সোমবার এসে নিবন্ধন করাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগের কনসালটেন্ট এস এম আতিকুর রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমরা এখন খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারি। এর ফলে আমাদের মধ্যে একটা আসক্তির আশঙ্কা থেকেই যায়। আমরা কোনো কিছুতে সন্তুষ্ট হলে আনন্দ পাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ আনন্দ পাওয়া এখন খুব সহজ। দেখা যায় পর্নগ্রাফি দেখে সে দ্রুত আনন্দ পাচ্ছে।’

‘সহজেই দেখতে পারছেন, তখন কিন্তু আসক্ত হয়ে পড়ছেন। এর ফলে বাস্তবের আনন্দটা কিন্তু গ্রহণে অনেক সময় তার অনীহা দেখা যায়। ড্রাগের ক্ষেত্রও এটা। মাদক প্রথমে অল্প সেবনে আনন্দ পায়। এরপর আনন্দ পেতে আরও ডোজ বেশি লাগছে। তখন তা নেশায় পরিণত হয়। ’

‘অনেকে সফট ভিডিও দেখতে দেখতে এক সময় দেখা যায় পর্নভিডিওতে আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাঝেমধ্যে শুনি বাসের ভেতরে বসেও বিকৃত আচরণ করছে। প্লেনে বসেও করছে। তারা এত বেশি আসক্ত হয়ে পড়ে যে, ওর দুই একটা আচরণ বাস্তব জীবনে করে ফেলে।’

পরিবারকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে জানিয়ে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, পরিবারকে সন্তানের রুটিন খেয়াল করতে হবে।  ছেলেটা ঠিকমতো নাস্তা করলো কি না, খাবার টেবিলে আসলো কি না, কাদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, রাতে কখন ঘুমাচ্ছে। যে পর্ন দেখে সে চেষ্টা করবে সেইভ টাইমে এটা দেখতে। বন্ধ রুমে থাকবে অথবা রাত জাগবে।

যেভাবে চিকিৎসা নেয়া যাবে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে গিয়ে প্রথমে আউটডোর থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। সকালেও ডাক্তার দেখানো যায়, আবার বৈকালিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারও চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

ডাক্তার যদি মনে করেন, রোগী কোনো কিছুতে আসক্ত হয়ে পড়ছেন, তাহলে তাকে সোমবার ই-ব্লকের ৬ তলা, ৬০৮ নম্বর রুমে এডিকশন ক্লিনিকে যেতে বলা হয়। আবার ভর্তির দরকার হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালেও এই আসক্তির চিকিৎসা দেওয়া হয়।

(ঢাকাটাইমস/১০সেপ্টেম্বর/জেআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :