রাজধানীজুড়ে আরও পাঁচটি মেট্রোরেল করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪:৩৩ | প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:২২

রাজধানীর জুড়ে আরও পাঁচটি মেট্রোরেল করার পরিকল্পনা আছে সরকারের বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় যানজট কিছুটা সহনশীলতা হয়েছে। রাজধানীতে মেট্রোরেল পুরোটা হয়ে গেলে এর সুফল আরও পাওয়া যাবে।

জার্মানি মিউনিখে অনুষ্ঠিত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন নিয়ে শুক্রবার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় যানজট অনেক টা সহনশীলতা হয়ে গেছে। পুরোটা হয়ে গেলে এর সুফল আরও পাওয়া যাবে। এছাড়া আরও পাঁচটা মেট্রোরেল ঢাকা জুড়ে করার পরিকল্পনা আছে। এছাড়া আমাদের বাঙালি কিছু আছে ভালো লাগে না। একটা দলই আছে কিছু ভালো লাগে না, যখন আবার কাজ শেষ হয় তখন আবার তারা সুফল ভোগ করে।

সরকার প্রধান বলেন, আমি বলছি কোনো যুদ্ধ চাই না। যুদ্ধের ভুক্তভোগী আমরাও। আজকে গাঁজার হাসপাতালে গুলোতে হামলা করা হয়েছে, এটা অমানবিক কাজ। সবচেয়ে বেশি শিশুদের খারাপ অবস্থা। এটা মানবতাবিরোধী কাজ। আজকে সাহস করে অনেক কিছু বলে না কারণ অনেকের অনেক দুর্বলতা আছে, কিন্তু আমার কোনো দুর্বলতা নেই। আমার তো তাদের কাছে কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। আমার লক্ষ্য ছিল ২১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে সেটা করেছি। আমার কোনো পরনির্ভরশীলতা নেই। আমার একটা মাত্র নির্ভরশীলতা হচ্ছে দেশের জনগণ। তবে আন্তর্জাতিক বন্ধু প্রয়োজন হয়। বিশ্বটা তো গ্লোবাল ভিলেজ, পণ্য কিনলে আনতে বাধা হয়। কারণ যু্দ্ধ লাগলে স্যাংশন হয়, তখন আর ওই দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সারা বিশ্ব কিন্তু দ্রব্যমূল্য কারণে যন্ত্রণা পাচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধে বন্ধের কথা বলি সঠিকই কিন্তু যুদ্ধ বন্ধের জন্য উদ্যোগ নেবে কে। এই হলো সবচেয়ে বড় কথা। যারা বিশ্বের বড় বড় মোড়ল তারাই তো। তারা নিজেরাই হোতা। আসলে বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশে খাদ্য অভাব নেই। রমজানেও খাদ্যের অভাব হবে না। কিন্তু মানুষের খাদ্য ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। তবে এটা স্বীকার করবে না। ১৯৮১ সালে খাবার দুর্ভিক্ষি ছিল, তখন নঙ্গরখান খুলি, আওয়ামী লীগ পক্ষ থেকে মানুষকে সহযোগিতা করি। এখন মানুষ আগের মতো নেই। এগুলো এমনি এমনি হয়নি, মানুষের জন্য পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছি বলেই তো হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে আমি জিজ্ঞাসা করছে যুদ্ধ কীভাবে বন্ধ করা যায় সেটা বলেন। যুদ্ধ চাই না। যুদ্ধের কারণে সবাই কষ্ট পাচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেও একই প্রশ্ন করতাম।

বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চায় এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে আমরা সব দিক থেকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষায় মানুষের মান মর্যাদা উন্নত করতে পারছি। বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। আগামী ২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশ হবে সেই কাজ টা যেন আমরা যথাযথ ভাবে করতে পারি সেটাই হলো সবচেয়ে বড় কথা। সেই কাজটা করতে একটা কমিটি হয়েছে সেভাবে কাজ করা হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ রাজনৈতিক দলের অভাব। আওয়ামী লীগ ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নানান আন্দোলন সংগ্রাম করে এগিয়ে গেছে। আমাদের প্রতিপক্ষ কয়েকটি দল। একটা হলো যুদ্ধাপরাধীদের দল,যাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল কিন্তু জিয়াউর রহমান আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদেরকেও ক্ষমতায় বসিয়ে ছিল খালেদা জিয়া। আমি যদি দুইটা দলের কথা বলি, যারা মিলিটারি ডিক্টাটারি পকেট থেকে তৈরি হয়েছে, একটা হলো বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। তারা জনগণের চিন্তা চেতনা না করে তারা চায় দেশের মধ্যে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হোক কেউ এসে ক্ষমতা বসিয়ে দেবে।

(ঢাকাটাইমস/২৩ফেব্রুয়ারি/জেএ/এসএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :