দলীয় কোন্দলের জেরে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২০, ১৯:২৮ | প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট ২০২০, ১৯:২৪

দলীয় কোন্দলের জেরে এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকালে মাগুরার মোহাম্মদপুর থানার বেথড়ী গ্রামের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল মোতালেব মোল্লার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব মোল্লার স্ত্রী জোহরা বেগম ও তার ভাইয়ের স্ত্রী নুরজাহান বেগম আহত হন।

এ ঘটনায় গত ১৩ আগস্ট মাগুরার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগটি করেছেন পলাশবাড়ি ইউনিয়নের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল মোতালের ছেলে ও যশোবন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান।

মফিজুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, আমাদের গ্রামে রেজাউল করিম বাবু নামে একজন ব্যক্তি আছেন। তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। তিনি সব সময় আমাদের তার সঙ্গে চলতে বলতেন। কিন্তু তাদের সঙ্গে চলাফেরা করতে আমাদের ভালো লাগত না। এ ঘটনা জেরে গত ১২ আগস্ট বুধবার বিকাল তিনটার দিকে রেজাউল করিম বাবুর নেতৃত্বে মাসুম বিল্লাহ ওরফে বাশি, এনামুল হক পান্নু, মেহরাব মোল্লা, সোহরাব মোল্লা, আকবার মোল্লা, জহিরুল হক মোল্লা ওমর, হাবিবুল্লাহ, লিটন, কাছেদ, লিয়াকত কাজী, মোস্তাক কাজী, আল আমিন, কামাল শেখ এবং রাব্বি আমার বাড়িতে ভাঙচুর করে। এ সময়ে তারা আমার বাড়ির মালামাল লুটপাট করে। আমার মা জোহরা বেগম এবং কাকী নুরজাহান বেগম বাধা দিয়ে তারা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মারধর করে। এ সময় তারা আমার কাকির গলায় থাকা এক ভরি ওজনের একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আমি মোহাম্মদপুর থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ আমার অভিযোগ নেয়নি। পরে আমি মাগুরার পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করেন।

১৪ আগস্ট বিকালে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমাকে ফোন করেছেন মামলা করার জন্য।

মফিজুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, রেজাউল করিম বাবুর দল না করার কারণে তারা গত এক বছর আগে আমার ভাই নয়ন মোল্লাকে মারধর করে। এরপর গত ২ এপ্রিল তারা ছেলে মাহিনকেও মারধর করেছে।

এ ব্যপারে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক বিশ্বাস ঢাকাটাইমসকে বলেন, এই এলাকায় দুইটি গ্রুপ রয়েছে। এর একটি হলো মফিজ গ্রুপ আরেকটি হলো আহাদ গ্রুপ। ১১ আগস্ট তারা বিবাদে জড়ায়। পরের দিন বিকাল তিনটার দিকে একটি গ্রুপের লোকজন মফিজের বাড়িতে হামলা চালায়। তখন তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে মফিজের বাড়ির জানালা-দরজা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন সেখানে আমার থানার মাত্র চারজন পুলিশ সদস্য ছিল। খবর পেয়ে আমি অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ সময়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাদের একমাসের কারাদণ্ড দেন।

(ঢাকাটাইমস/১৫ আগস্ট/এএ/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :